সিলেটে ১২৪ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড, আরও বর্ষণের আভাস
প্রাণ-প্রকৃতি-পরিবেশ
প্রকাশঃ ৯ জুলাই, ২০২৬ ৬:৪৭ অপরাহ্ন
চলমান বন্যা পরিস্থিতিতে পর্যটকদের জান-মালের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সুনামগঞ্জের হাওরাঞ্চলে পর্যটক পরিবহনের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে জেলা প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিকেল ৪টার দিকে এ নির্দেশনা জারি করা হয়।
জেলা প্রশাসন জানায়, সম্প্রতি সুনামগঞ্জ ও ভারতের মেঘালয়ের চেরাপুঞ্জি এলাকায় ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে সুরমা নদীসহ জেলার বিভিন্ন নদ-নদীর পানি ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে হাওরাঞ্চল ও নদীপথে নৌযান চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত জেলার সকল হাউসবোট মালিক, চালক ও সংশ্লিষ্টদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে পর্যটক পরিবহনের নির্দেশনা দেওয়া হলো।
নির্দেশনায় বলা হয়, প্রতিকূল আবহাওয়া বা ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতে কোনোভাবেই পর্যটক নিয়ে যাত্রা করা যাবে না। প্রতিটি হাউসবোটে পর্যাপ্ত সংখ্যক মানসম্মত লাইফ জ্যাকেট, লাইফবয়া ও অন্যান্য জরুরি নিরাপত্তা সরঞ্জাম রাখতে হবে। অতিরিক্ত যাত্রী বহন সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
এছাড়া আবহাওয়া অধিদপ্তর, পানি উন্নয়ন বোর্ড ও স্থানীয় প্রশাসনের সতর্কবার্তা নিয়মিত অনুসরণ, যাত্রার আগে পর্যটকদের নিরাপত্তা নির্দেশনা অবহিত করা এবং জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নির্দেশনা যথাযথভাবে মেনে চলার আহ্বান করা হয়।
এদিকে পরিস্থিতি আরও অবনতি হলে বা স্থানীয় প্রশাসন প্রয়োজন মনে করলে হাউসবোট চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার কথাও নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়।
এ বিষয়ে সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. মতিউর রহমান খান বলেন, বর্তমান বন্যা পরিস্থিতিতে পর্যটকদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার। সে কারণে হাওরাঞ্চলে পর্যটক পরিবহনের ক্ষেত্রে এ সতর্কতামূলক নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। হাউসবোট মালিক ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশনাগুলো কঠোরভাবে অনুসরণ করার আহ্বান জানাচ্ছি। আবহাওয়া ও নদীর পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত কোনো ধরনের ঝুঁকি নেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং প্রয়োজন হলে আরও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সুনামগঞ্জ, বন্যা, হাউসবোট, পর্যটক পরিবহন, জেলা প্রশাসন