জগন্নাথপুরে বিউবোর উপসহকারী প্রকৌ. আবুল আজাদের বিদায়ী সংবর্ধনা
দৈনন্দিন
প্রকাশঃ ১৬ আগস্ট, ২০২৬ ৭:৩৮ অপরাহ্ন
পরিকল্পিত নগর গঠন, সুশৃঙ্খল নগরায়ন এবং পরিবেশ সুরক্ষার লক্ষ্যে সিলেট নগরী ও সংলগ্ন এলাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করেছে সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিউক)। কার্যক্রমের শুরুতেই সিউক কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া নগরীতে যেকোনো ধরনের ভবন নির্মাণ, সম্প্রসারণ বা পরিবর্তন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
রোববার (১৬ আগস্ট) সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
গণবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এখন থেকে সিউক আওতাধীন এলাকায় ভূমি ব্যবহারের ছাড়পত্র, ভবন নির্মাণের নকশা অনুমোদন এবং জলাধার খনন বা পুনঃখননের আবেদন সিউকের কার্যালয়ে (২৯/এ ফরচুন গার্ডেন, বঙ্গবীর রোড, নাইওরপুল, সিলেট) জমা দিতে হবে।
গণবিজ্ঞপ্তিতে উল্লিখিত গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনাসমূহ: ইমারত নির্মাণ আইন ১৯৫২, ইমারত নির্মাণ বিধিমালা ১৯৯৬ এবং বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড (বিএনবিসি) ২০২০ অনুসরণে সিউকের তালিকাভুক্ত স্থপতি, প্রকৌশলী বা নকশাকারকের মাধ্যমে ভূমি জরিপ, মাটি পরীক্ষা ও নকশা প্রণয়ন করে আবেদন দাখিল করতে হবে।
রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০-এর ৫ ধারা অনুযায়ী সব ডেভেলপার প্রতিষ্ঠানকে সিউকে নিবন্ধিত হতে হবে।
অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী নির্মাণকাজ শেষ করতে হবে। অবৈধ দখল, জলাশয় ভরাট বা পরিবেশের ক্ষতিকারক যেকোনো কাজ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন ২০২৩-এর ৫৪ ধারা উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আইনটি কার্যকর হওয়ার পর সিউকের অনুমতি ব্যতিরেকে অন্য কোনো কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে নেওয়া অনুমোদন অকার্যকর ও অননুমোদিত বলে গণ্য হবে। আইন বা বিধিমালা লঙ্ঘন করে পরিচালিত কার্যক্রমের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে সতর্ক করা হয়েছে।
নগরবাসীকে সিউক কার্যালয়ে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সেবা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছে গণবিজ্ঞপ্তিতে।
সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, ভবন নির্মাণ, নকশা অনুমোদন, আইনি ব্যবস্থা, পরিবেশ সুরক্ষা, নগর পরিকল্পনা