সিলেটে ঘনঘন লোডশেডিং, ভোগান্তিতে নগরবাসী
দৈনন্দিন
প্রকাশঃ ২৮ জুন, ২০২৬ ১০:০৭ অপরাহ্ন
সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার ডৌবাড়ী ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের গৌরীপুর (লংপুর) এলাকায় কাপনা নদীতে ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে বেশ কিছু স্থাপনা, বসতভিটা, ও গাছপালাসহ গ্রামের একমাত্র সড়ক ভাঙনের শিকার হয়েছে। ইতিমধ্যে সড়কের একটি অংশ নদীগর্ভে চলে গেছে। এ অবস্থায় কয়েক হাজার মানুষের যাতায়াত ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, মানিকগঞ্জ সেতু হতে গৌরীপুর গ্রামের বাড়ি পর্যন্ত প্রায় ৪০০ মিটার স্থান কাপনা নদী ভাঙনের শিকার হয়েছে। ফলে লংপুর গ্রামবাসীর যাতায়াতের একমাত্র রাস্তা নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ার শঙ্খা তৈরি হয়েছে। এ অবস্থায় চরম শঙ্কায় দিন পাড় করছেন রাস্তা দিয়ে চলাচলকারী স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার শিক্ষার্থীসহ কয়েক হাজার মানুষ।
স্থানীয়রা জানান, নদী ভাঙন রোধে সরকারিভাবে এখন পর্যন্ত কোন উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। তাদের অভিযোগ, ভাঙন রোধ করা না গেলে গৌরীপুর গ্রামটি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে।
তারা জানান, গ্রামের পূর্ব পাশ দিয়ে পাশ্ববর্তী লংপুর গ্রামের যাওয়ার রাস্তাটিতে ভাঙন সৃষ্টি হওয়ায় যান চলাচল বন্ধ হওয়ার পথে। চলতি বছরের বর্ষা মৌসুমে রাস্তাটি নদী গর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা।
এ অবস্থায় নদী ভাঙন রোধে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের নজর কামনা করেন এলাকাবাসী।
গৌরীপুর গ্রামের বিরেন্দ্র বিশ্বাস বলেন, 'আমাদের গ্রামে ২০০ টির বেশি পরিবার রয়েছে। ভাঙন রোধে ব্যবস্থা না নিলে পাহাড়ি ঢলের প্রবল স্রোতে গ্রামটি একেবারে নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাবে। তাই দ্রুত গ্রামটি রক্ষার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।'
এ ব্যাপারে সিলেটের পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারি প্রকৌশলী মো. হাসান পারভেজ রিয়াদ বলেন, 'ইতোমধ্যে আমরা গৌরপুর গ্রামের নদী ভাঙ্গনের স্থান পরিদর্শন করেছি। স্থানটিতে কাজের জন্য আগামী বাজেট চাহিদায় প্রস্তাবনা পাঠানো হবে। অর্থ বরাদ্দ হলেই কাজ শুরু হবে।'
কাপনা নদী, নদী ভাঙন, গোয়াইনঘাট, ডৌবাড়ী, গৌরীপুর, গ্রামীণ সড়ক