
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে মানববন্ধনের মুখে দাবি মানলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা-ইউএনও। দাবি মেনে খুলে দেওয়া হলো বন্ধ গেইটের ছোট ফটক। সেমবার (২২ ডিসেম্বর) সকালে স্থানীয় সচেতন নাগরিক ও ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষের আয়োজিত মানববন্ধনের মুখে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নির্দেশে গেটের তালা খুলে দেন।
জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন গেইটটি স্কুল ছাত্র ছাত্রী ও জনসাধারণের চলাচলের রাস্তা। দীর্ঘ প্রতীক্ষা আর আন্দোলনের পর অবশেষে জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হয় ফটকটি।
জানা যায়, গত ৫-৬ ধরে নিরাপত্তা কিংবা অন্য কোনো অজুহাতে উপজেলা পরিষদের এই প্রধান ফটকটি বন্ধ রাখা হয়েছিল। এর ফলে সাধারণ মানুষ, স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা, সেবাগ্রহীতা এবং স্থানীয় পথচারীদের দীর্ঘ পথ ঘুরে যাতায়াত করতে হতো। বিশেষ করে বয়স্ক, শিশু ও অসুস্থ ব্যক্তিদের ভোগান্তি চরম পর্যায়ে পৌঁছেছিল। ২১ ডিসেম্বর বিকালে জগন্নাথপুর এলাকাবাসী বিক্ষোভ ও মানববন্ধন উপজেলা পরিষদের সামনে ‘সর্বস্তরের জনগণ’-এর ব্যানারে একটি মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, সরকারি দপ্তর জনগণের সেবার জন্য, কিন্তু গেট বন্ধ রেখে জনগণকে সেবা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছিল। প্রায় এক ঘণ্টা চলা এই মানববন্ধনে শ্লোগানে শ্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে এলাকা। প্রশাসনের আশ্বাস ও গেট উন্মোচন পরিস্থিতি বেগতিক দেখে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তিনি জনগণের দুর্ভোগের কথা স্বীকার করেন এবং দ্রুত সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন। এরপর উপস্থিত সবার সামনেই তিনি তালাবদ্ধ গেটটি খুলে দেওয়ার নির্দেশ দেন।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরকত উল্লাহ বলেন, নিরাপত্তার স্বার্থে সাময়িকভাবে গেটটি নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছিল। তবে জনগণের দুর্ভোগ আমাদের কাম্য নয়। আজ থেকে গেটটি সবার জন্য চলাচলের গেইটের ছোট পাটটি খুলে দেওয়া হয়েছে।
গেটটি খুলে দেওয়ার পর স্থানীয় জনগণ ও ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে আনন্দের জোয়ার বয়ে যায় এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে সবাই , এটি সাধারণ মানুষের জয়। এখন থেকে কোনো ভোগান্তি ছাড়াই তারা প্রয়োজনীয় সেবা গ্রহণ করতে পারবেন।
শেয়ার করুনঃ
দৈনন্দিন থেকে আরো পড়ুন
সুনামগঞ্জ, জগন্নাথপুর, মানববন্ধন, গেইট, ইউএনও


