সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে সাংবাদিকদের অবস্থান সমাজ-রাষ্ট্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিভাগীয় কমিশনার
দৈনন্দিন
প্রকাশঃ ১৯ ডিসেম্বর, ২০২৫ ৪:৩৫ অপরাহ্ন
গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সম্মুখভাগের যোদ্ধা শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর খবরে সিলেটে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদী কর্মসূচি করছে বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা। বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) মধ্যরাত থেকে বিক্ষোভ শুরু হয়।
আজ শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করা হয়। জুমার নামাজ শেষে ইনকিলাব মঞ্চ, এনসিপি, ছাত্রশিবির, জমিয়তসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল বিক্ষোভ মিছিল করে।
পরে নগরীর চৌহাট্টায় সমবেত হন কয়েকশ বিক্ষোভকারী। এসময় তারা অনতিবিলম্বে হাদির হত্যাকারীদের ভারত থেকে নিয়ে এসে ফাঁসির দাবি জানান এবং তা না হলে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগ দাবি করেন।
বিক্ষোভকারীরা বলেন, ‘হাদি হত্যাকাণ্ড ভারতের প্রেসক্রিপশনে খুনি দল আওয়ামী লীগ ঘটিয়েছে, এটা স্পষ্ট। আমরা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী, বিশেষ করে নিষিদ্ধ সন্ত্রাসী সংগঠন ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের যেখানেই পাবো, সেখানেই প্রতিরোধ করবো।’
এদিকে চৌহাট্টায় সমাবেশ চলাকালে ৭১ টেলিভিশনের সাংবাদিকদের আওয়ামী লীগের দালাল বলে হেনস্থা করেন বিক্ষুব্ধ একজন ব্যক্তি। পরে পুলিশ তাকে আটক করে নিয়ে যায়।
এর আগে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে হাদির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা শহীদ মিনার থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে আশেপাশের এলাকা প্রদক্ষিণ করে। এ সময় বিক্ষুব্ধ কয়েকজন চৌহাট্টাস্থ আলপাইন রেস্টুরেন্টে হামলার চেষ্টা করেন।
একই সময় নগরীর বারুতখানা এলাকায় প্রথম আলোর আঞ্চলিক কার্যালয়ে হামলার চেষ্টা করেন তিন যুবক। তারা ঢিল ছুড়ে কার্যালয়ের কাঁচ ভাঙেন। তবে এসব ঘটনায় কোন হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
এদিকে শুক্রবার সকাল থেকেই সিলেট নগরীতে কঠিন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সড়ক গুরুত্বপূর্ণ স্থান ও মোড়ে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (গণমাধ্যম) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘৭১ টেলিভিশনের সাংবাদিক হেনস্থার ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে। তবে প্রথম আলো কার্যালয়ে হামলাকারীদের এখনো সনাক্ত করা যায়নি।’
ওসমান হাদি, বাংলাদেশ, মৃত্যু, সিলেট, বিক্ষোভ মিছিল