সিলেটে ৪ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত
প্রাণ-প্রকৃতি-পরিবেশ
প্রকাশঃ ১ আগস্ট, ২০২৫ ৫:৩৪ অপরাহ্ন
সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের রাজেন্দ্রপুর মৌজায় প্রশাসন ও নৌপুলিশের অবহেলায় বেপরোয়া হয়ে উঠেছে বালু দস্যুরা। গভীর রাতে ফসলি জমিতে ড্রেজার বসিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে একটি প্রভাবশালী চক্র। এতে আশপাশের অন্তত ১০টি গ্রামের ঘরবাড়ি ও আবাদি জমি হুমকির মুখে পড়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট প্রশাসনকে ম্যানেজ করে মালিকানাধীন জমিতে রাতভর ড্রেজার মেশিন বসিয়ে বালু উত্তোলন করে যাচ্ছে। এসব বালু প্রতিদিন অসংখ্য নৌকায় সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
জানা গেছে, রাজেন্দ্রপুর মৌজার ৫টি দাগভুক্ত প্রায় ১০৯ একর আমন জমির মালিক ছাতক পৌর শহরের গণক্ষাই গ্রামের আকিক মিয়া চৌধুরী। অভিযোগ, জমির পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া পিয়াইন নদীর পাড় কেটে ইজারাদার আবু সাইদ অভির নেতৃত্বে একটি চক্র রাতে ওই জমিতে ঢুকে ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন করছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, ক্ষমতার দাপটে ওই চক্র ফসলি জমি কেটে রাতভর লাখ লাখ ঘনফুট বালু লুটে নিচ্ছে।
বালু উত্তোলনের ফলে বাহাদুরপুর, সৈদাবাদ, রহিমপুর, দারোগাখালীসহ আশপাশের গ্রামের ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি ভাঙনের ঝুঁকিতে পড়েছে। ভুক্তভোগীরা বারবার প্রশাসনের দারে গিয়ে অভিযোগ করলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে দাবি তাঁদের।
এ বিষয়ে ছাতক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তারিকুল ইসলাম বলেন, ’বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
গত ২৩ জুলাই দুপুরে মিজানুর রহমান চৌধুরী মিজান নামে এক ব্যক্তি ইজারাদার আবু সাইদ অভিকে অভিযুক্ত করে বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, ডিআইজি (সিলেট রেঞ্জ), নৌপুলিশ সুপার (সিলেট অঞ্চল), পুলিশ সুপার (সুনামগঞ্জ) ও ছাতক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
বালু উত্তোলন নিয়ে যোগাযোগ করা হলে ইজারাদার আবু সাইদ অভি বলেন, ‘আমি পিয়াইন নদী ছাড়া কোথাও বালু উত্তোলন করি না। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ভিত্তিহীন।’
ছাতক, ড্রেজার, সুনামগঞ্জ, ফসলি জমি