কমলগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে ৩ জনকে পুশ-ইন করলো বিএসএফ
অপরাধ-বিচার
প্রকাশঃ ৩০ আগস্ট, ২০২৬ ১:১৫ অপরাহ্ন
যাত্রী নিয়ে সিলেটের দিকে যাচ্ছিল দুটি বাস। বাইরে থেকে দেখে সাধারণ যাত্রীবাহী বাস মনে হলেও তল্লাশিতে মিলেছে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় পণ্য। বাসের পেছনের আসন ও মালামাল রাখার বাক্সে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল কম্বল, চকলেট, বিস্কুট, জুস ও এনার্জি ড্রিংকসহ বিভিন্ন পণ্য। হবিগঞ্জের বাহুবলে পুলিশের অভিযানে এসব পণ্য উদ্ধারের পাশাপাশি সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শনিবার রাতে উপজেলার মিরপুর ইউনিয়নের কামারগাঁও এলাকায় চেরাগ আলী ফিলিং স্টেশনের সামনে এ অভিযান চালানো হয়। পুলিশ সৌখিন ও মিতালী পরিবহনের দুটি বাস আটক করে তল্লাশি চালায়।
বাহুবল মডেল থানা পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাস দুটিতে অভিযান চালানো হয়। তল্লাশির সময় বাসের পেছনের দিকের যাত্রীদের বসার আসন এবং দুই পাশে মালামাল রাখার বাক্স থেকে ভারতীয় বিভিন্ন পণ্য বের করে আনা হয়।
পুলিশের তালিকা অনুযায়ী, উদ্ধার করা পণ্যের মধ্যে রয়েছে ১৪০টি ভারতীয় কম্বল, প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার কিটক্যাট চকলেট, ১৩০ প্যাকেট ওরিও বিস্কুট, ৫০ প্যাকেট স্নিকার্স চকলেট, ২৪টি রেড বুল এনার্জি ড্রিংক, ১০ প্যাকেট ডেইরি মিল্ক, ৯৬ বোতল আমুল কুল জুস ও সাত প্যাকেট বেনজো চকলেট।
অভিযানে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন কিশোরগঞ্জের ভৈরবের রিয়াজ উদ্দিন (৪৫), শেরপুরের ঝিনাইগাতীর বকুল হোসেন (৫১), নারায়ণগঞ্জ সদর এলাকার তাপস কুমার মোদক (৪৩), ঢাকার সবুজবাগের জাহিদুল ইসলাম লীমন (৪৮), নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের মোহাম্মদ সবুজ (৪৫), শরীয়তপুরের জাজিরার মালেক হোসেন ওরফে অপু (৫২) এবং সিলেটের গোয়াইনঘাটের দুলাল মিয়া (৪৯)।
বাহুবল মডেল থানার ওসি (তদন্ত) মো. ইকতার মিয়া রোববার সকালে বলেন, ‘দুটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় পণ্য উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’
পুলিশ যানায়, যাত্রীবাহী পরিবহনের আড়ালে এসব পণ্য কীভাবে এবং কোথা থেকে আনা হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে উদ্ধার করা পণ্যগুলোর বাজারমূল্য ও এগুলোর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্য কারও সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না, সেটিও তদন্তের বিষয়।
বাহুবল, হবিগঞ্জ, ভারতীয় পণ্য, যাত্রীবাহী বাস, পুলিশ অভিযান, চোরাচালান, সাতজন গ্রেপ্তার, অবৈধ পণ্য