০৪ মে ২০২৬

অপরাধ-বিচার / আটক-গ্রেপ্তার

২৪ দিনে সিলেটে ৫৫২জনকে পুশ ইন

ভয়েস ডেস্ক

প্রকাশঃ ১ জুন, ২০২৫ ৪:৩৫ অপরাহ্ন



বাংলাদেশের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে মানুষকে ঠেলে পাঠানো (পুশ ইন) অব্যাহত রেখেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদারের পাশপাশি পুশইন ঠেকাতে তৎপর রয়েছে বডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। 



গত ৭মে থেকে ৩১মে পর্যন্ত সিলেট বিভাগের সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে ৫৫২জনকে পুশইন করেছেন বিএসএফ, যাদের মধ্যে নারী, পুরুষ ও শিশু রয়েছেন। 



শনিবার (৩১মে) বিজিবি সদর দপ্তর থেকে এ তথ্য জানানো হয়। 



বিজিবি সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গত ৭ মে থেকে ৩১মে পর্যন্ত সিলেট বিভাগের মধ্যে সিলেটে ১১৫ জন, মৌলভীবাজারে ৩৮০ জন, হবিগঞ্জে ৪১ জন, সুনামগঞ্জে ১৬ জনসহ মোট ৫৫২ কে পুশ ইন করা হয়েছে। 



এছাড়া একই সময়ের মধ্যে সিলেট বিভাগের ৪জেলার ৫৫২জন ছাড়াও দেশের অন্যান্য ১৪টি জেলার সীমান্ত দিয়ে ৫৯১ জনকে ঠেলে পাঠিয়েছে বিএসএফ। 


যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে পুশ ইন করায় বিএসএফের সাথে বিভিন্ন পর্যায়ে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে মৌখিক ও লিখিতভাবে জোরালো প্রতিবাদ জানিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ ছাড়া পুশ ইন রোধে বিজিবি সীমান্তে গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল তৎপরতা বৃদ্ধি করে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে বিজিবির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।



সীমান্তে পুশ-ব্যাক ঠেকাতে তৎপর রয়েছে সিলেটের বিজিবি সদস্যরা। গোয়াইনঘাটের খাসিয়া হাওড়, তামাবিল, সোনাটিলা, সংগ্রামপুঞ্জি, পান্তুমাই, বিছনাকান্দিসহ ১৯টি গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত পয়েন্টে টহল জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি। 



বিজিবি জানায়, সীমান্তে পুশ-ব্যাক বা পুশ-ইন এমন একটা পদ্ধতি যেখানে ধরা পড়া ব্যক্তিদের সীমান্তে নিয়ে গিয়ে অন্য দেশের সীমান্তে ঠেলে দেওয়া হয়ে থাকে। ভারতের দিক থেকে যেটা পুশ-ব্যাক, বাংলাদেশের চোখে সেটাই পুশ-ইন। এই প্রক্রিয়ার কোনো আইনি স্বীকৃতি নেই ভারতে। কিন্তু সম্প্রতি এভাবে শত শত বাংলাদেশীকে জোরপূর্বক সীমান্তে এনে ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে।


শেয়ার করুনঃ

অপরাধ-বিচার থেকে আরো পড়ুন

পুশইন, আটক, ভারত, বাংলাদেশ, সিলেট, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, সীমান্ত, বডার গার্ড বাংলাদেশ, বিজিবি, ভারতীয় নিরাপত্তারক্ষী বাহিনী বিএসএফ,

আরো পড়ুনঃ

আরো পড়ুনঃ