যাদুকাটা ও শিমুল বাগান রক্ষায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চাইলেন সাংসদ কামরুল
প্রাণ-প্রকৃতি-পরিবেশ
প্রকাশঃ ২৯ জুন, ২০২৬ ৩:৫৮ অপরাহ্ন
যাদুকাটা নদীর দুই তীর, এশিয়ার বৃহত্তম শিমুল বাগান, নির্মাণাধীন যাদুকাটা সেতু ও নদী তীরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রক্ষায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়েছেন সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল। গত ২৫ জুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে লেখা তাঁর একটি চিঠি সোমবার (২৯ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
চিঠিতে সাংসদ কামরুজ্জামান কামরুল উল্লেখ করেন, তাহিরপুর উপজেলায় যাদুকাটা নদী বালু ও পাথরের জন্য বহুল পরিচিত। নদীর তীরে প্রায় তিন হাজার গাছ নিয়ে গড়ে উঠেছে এশিয়ার বৃহত্তম শিমুল বাগান, যেখানে বর্ষা ও বসন্তে লাখো পর্যটকের সমাগম ঘটে। কিন্তু একশ্রেণির অসাধু ব্যক্তি প্রশাসনের কিছু দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তার যোগসাজশে রাতের অন্ধকারে নদীর তীর কেটে অবাধে বালু বিক্রি করে যাচ্ছে।

সাংসদ জানান, বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে পুলিশ দু-এক দিন অল্প সময়ের জন্য নদীর তীরে উপস্থিত হয়ে দায়সারা দায়িত্ব পালন করে চলে যায়। ফলে বালু লুটের কার্যক্রম থামছে না। এতে হুমকির মুখে পড়েছে যাদুকাটা নদীর নির্মাণাধীন সেতু, শিমুল বাগান, লউড়েরগড়, ঘাগটিয়া, গড়কাটি ও বিন্নাকুলি বাজারসহ বেশ কয়েকটি স্থাপনা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। পরিস্থিতির উন্নতি না হলে আগামী কিছু দিনের মধ্যেই কয়েকটি গ্রামসহ সেতু ও শিমুল বাগান নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে তিনি সতর্ক করেন।
চিঠির শেষে সাংসদ কামরুজ্জামান কামরুল যাদুকাটা নদী, শিমুল বাগান, নির্মাণাধীন সেতু ও নদী তীরবর্তী অর্ধশতাধিক গ্রাম রক্ষায় নিয়মিত নৌ-পুলিশের বিশেষ দল অথবা প্রয়োজনে কোস্টগার্ড মোতায়েন করে পুলিশি কার্যক্রম জোরদার করার আহ্বান জানান।
এ বিষয়ে তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেদী হাসান মানিক বলেন, যাদুকাটা নদী ও নদী তীরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রক্ষায় প্রশাসনের একার পক্ষে কঠিন হয়ে উঠেছে। এজন্য প্রয়োজন প্রশাসনের সঙ্গে রাজনৈতিক ব্যক্তি ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সমন্বিত উদ্যোগ। তবে প্রশাসনের দায়সারা দায়িত্ব পালনের অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি
সুনামগঞ্জ, তাহিরপুর, যাদুকাটা, শিমুল বাগান,