রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকীতে শিশুতীর্থ এর আলোচনা সভা
সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
প্রকাশঃ ৯ মে, ২০২৬ ৯:৪৭ অপরাহ্ন
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপন করা হয়েছে। শনিবার (৯ মে) বিকাল ৩টায় সিলেট নগরীর মির্জাজাঙ্গালস্থ সংগীত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিশুতীর্থ-এর উদ্যোগে প্রতিষ্ঠানের প্রাঙ্গণে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে মঙ্গলপ্রদীপ প্রজ্জ্বল করেন আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ। সঙ্গীত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান 'শিশুতীর্থ'- এর পরিচালক নীতা রায় এর সভাপতিত্বে ও নন্দিতা দত্তের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অতিথি শিল্পী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মদন মোহন কলেজ সিলেটের প্রাক্তন অধ্যাপক পঙ্কজ দত্ত, গীতবিতান বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও অধ্যক্ষ অনিমেষ বিজয় চৌধুরী।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই শিশুতীর্থের সকল ছাত্র-ছাত্রী সমবেত কণ্ঠে পরিবেশন করে ‘জগত জুড়ে উদার সুরে আনন্দ গান বাজে’ এবং ‘সকাতরে ওই কাঁদিছে সকলে’ গান দুটি। এছাড়া অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে সকল শিক্ষার্থী সমবেতভাবে রবীন্দ্রনাথের বিখ্যাত গান ‘তুমি কেমন করে গান করো হে গুণী’ পরিবেশন করে।
একক সঙ্গীত পরিবেশন করেন নীতা রায়। প্রারম্ভিক ও সংগীত প্রথম বর্ষ (শিউলি ও অপরাজিতা) পরিবেশন করে ‘আলো আমার আলো ওগো’, ‘আয় তবে সহচরী হাতে হাতে ধরি’ এবং ‘ওরে ওরে ওরে আমার মন মেতেছে’।
সংগীত দ্বিতীয় ও তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীরা ‘আকাশ জুড়ে শুনিনু ওই বাজে’, ‘নিত্য তোমার যে ফুল ফোটে ফুলবনে’ এবং ‘আপন হতে বাহির হয়ে বাইরে দাঁড়া’ গানগুলো গেয়ে দর্শকদের মুগ্ধ করে। সিনিয়র বিভাগের (কাঠগোলাপ) শিক্ষার্থীরা পরিবেশন করেন ‘তুমি যে সুরের আগুন লাগিয়ে দিলে’ এবং ‘যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে’। একক সংগীতে নীতা রায় পরিবেশন করেন ‘লিখন তোমার’।
অতিথি শিল্পীদের পরিবেশনায় অনিমেষ বিজয় চৌধুরী পরিবেশন করেন, ‘তোমার সুরের ধারা’ ও ‘না চাহিলে যারে পাওয়া যায়" এবং পঙ্কজ দত্ত গেয়ে শোনান, ‘তোমার কথা হেথা’ ও ‘আমি কান পেতে রই’। তবলা সঙ্গতে ছিলেন,সুরজিৎ দে তনু ও গৌতম গোস্বামী বাপ্পি।
গানের পাশাপাশি ছিল মনোজ্ঞ নৃত্য। ‘মোর বীণা ওঠে কোন সুরে বাজি’ গানের সাথে নৃত্য পরিবেশন করে প্রাচী ও পূর্ণশ্রী। এছাড়া ‘আনন্দ ধারা বহিছে ভূবনে’ গানের সাথে সেঁজুতি নৃত্য পরিবেশন করে।
অতিথিবৃন্দ তাদের বক্তব্যে বিশ্বকবির জীবন ও দর্শনের ওপর আলোকপাত করেন এবং নতুন প্রজন্মের মাঝে রবীন্দ্রচেতনা ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য শিশুতীর্থের এই উদ্যোগের প্রশংসা করেন। অনুষ্ঠানে স্থানীয় রবীন্দ্রানুরাগী, অভিভাবক এবং শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
রবিন্দ্রনাথ, জন্মবার্ষিকি, সাহিত্য, সিলেট, শিশুতীর্থ