০৫ মে ২০২৬

অপরাধ-বিচার

সুনামগঞ্জের সাবেক এমপি সাদিকসহ ১২ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

সিলেট ভয়েস ডেস্ক

প্রকাশঃ ৭ আগস্ট, ২০২৫ ১১:২২ অপরাহ্ন


রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে বিএনপির করা মামলায় সুনামগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক সাংসদ ও সাবেক নির্বাচন কমিশন সচিব মোহাম্মদ সাদিকসহ ১২ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মিনহাজুর রহমান মামলার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদন মঞ্জুর করে এ আদেশ দেন।


নিষেধাজ্ঞা দেওয়া অন্যরা হলেন, সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিবউদ্দীন আহমেদ, নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ আবু হাফিজ, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. জাবেদ আলী, মো. শাহ নেওয়াজ, মো. রফিকুল ইসলাম, কবিতা খানম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাত হোসেন চৌধুরী, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. আহসান হাবিব খান, মো. আলমগীর, মো. আনিছুর রহমান ও সাবেক নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ। 


মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শেরেবাংলা নগর থানার এসআই শামসুজ্জোহা সরকার ওই আবেদন করেন। আদালতের প্রসিকিউশন সূত্র গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।


সূত্র জানায়, বিচারকের আদেশে বলা হয়েছে, ‘আসামিরা বর্তমানে পলাতক। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আসামিদের বিদেশ গমন বাতিল করার জন্য এসএস ইমিগ্রেশন (প্রশাসন) ও এসবিকে প্রয়োজনীয় আদেশ প্রদানের জন্য তদন্তকারী কর্মকর্তা আবেদন করেছেন।


আবেদনসহ নথি পর্যালোচনায় তদন্তকারী কর্মকর্তার দাখিলকৃত আবেদন মঞ্জুর করা হলো। মামলার পলাতক আসামিদের বিদেশ গমন বাতিলের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এসএস ইমিগ্রেশন (প্রশাসন) ও এসবিকে নির্দেশ প্রদান করা হলো।’


বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের সময় নির্বাচন কমিশনের সাংবিধানিক দায়িত্ব ‘পালন না করে’ উলটো ‘ভয়ভীতি দেখিয়ে’ জনগণের ভোট ছাড়াই নির্বাচন সম্পন্ন করার অভিযোগে চলতি বছরের ২২ জুন মামলা করে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং মামলা, গুম, খুন ও তথ্য সংরক্ষণ সমন্বয়ক সালাহ উদ্দিন খান। রাজধানীর গুলশান থানায় এ মামলা করা হয়।


গত ২৬ জুন মামলায় রাষ্ট্রদ্রোহ, প্রতারণা এবং অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দণ্ডবিধির ১২৪ (ক)/ ৪২০/৪০৬ ধারা সংযুক্ত করা হয়।


মামলায় ২০১৪ সালের নির্বাচনের সিইসি কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে সিইসি কে এম নূরুল হুদা ও ২০২৪ সালের নির্বাচনের সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়ালকে আসামি করা হয়েছে।


এ ছাড়া ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ মোট ২৪ জন এ মামলার আসামি। পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজি) হাসান মাহমুদ খন্দকার, এ কে এম শহীদুল হক, জাবেদ পাটোয়ারী, বেনজীর আহমেদ ও চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকেও এ মামলায় আসামি করা হয়েছে।


গত ২২ জুন সাবেক সিইসি কে এম নূরুল হুদাকে উত্তরা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরের দিন ২৩ জুন চার দিন এবং ২৭ জুন আরও চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়। দ্বিতীয় দফায় রিমান্ড শেষে গত ১ জুলাই তিনি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।


এ ছাড়া আরেক সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়ালকে গত ২৫ জুন মগবাজার এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন তার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়। বর্তমানে তারা কারাগারে আছেন।


শেয়ার করুনঃ

অপরাধ-বিচার থেকে আরো পড়ুন

সুনামগঞ্জ, সাবেক এমপি মোহাম্মদ সাদিক, দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

আরো পড়ুনঃ

আরো পড়ুনঃ