অসুস্থ বাবাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই প্রাণ যায় বাবা-মেয়েসহ ৫ জনের
দৈনন্দিন
প্রকাশঃ ৪ মে, ২০২৬ ১০:০৯ অপরাহ্ন
সুনামগঞ্জে অসুস্থ বাবাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে বাস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষে বাবা-মেয়ে, ভাতিজি ও জামাইসহ পাঁচজনের মর্মান্তিক মুত্যু হয়েছে। সোমবার (৪ মে) দুপুরে সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কের ছাতক উপজেলার জামালপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— তাহিরপুর উপজেলার বালিজুড়ি ইউনিয়নের তিওর জালাল গ্রামের হাসেম আলীর ছেলে ইসব আলী (৫৫), তার দুই মেয়ে কেয়া মনি (১৭), ভাতিজি নিলুফা আক্তার (৩০) ও নিলুফার স্বামী উপজেলার বিন্নাকুলি গ্রামের মো. শাহাব উদ্দিন।
দুর্ঘটনায় অটোরিকশাচালকও মারা গেছেন। তবে তার পরিচয় পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ইসব আলীর ছেলে শুভ ও তার এক চাচা।
বালিজুড়ি ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য মো. একরামুল হুদা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, পেটের ব্যথাজনিত কারণ অসুস্থ অবস্থায় ইসব আলীকে নিয়ে সিলেট এমএজি ওসমানী হাসপাতালে যাচ্ছিলেন তার মেয়ে-ভাতিজিসহ স্বজনরা।
তিনি আরও বলেন, সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কের ছাতক উপজেলার জামালপুর এলাকায় বাসের সঙ্গে অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলে মারা যান তিনজন। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পর ইসব আলীর মেয়ে কেয়া মনি ও ভাতিজি জামাই শাহাব উদ্দিনের মৃত্যু হয়।
তিনি বলেন, মরদেহ বাড়িতে আনার প্রক্রিয়া চলছে। ময়নাতদন্ত ছাড়া মরদেহ হস্তান্তর করতে স্থানীয় সংসদ সদস্যের সহযোগীতা চাওয়া হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ছাতক উপজেলার জালালপুর এলাকায় সুনামগঞ্জ থেকে সিলেটগামী একটি সিএনজি অটোরিকশা এবং বিপরীত দিক থেকে আসা রিফাত পরিবহনের একটি বাসের সংঘর্ষ হয়। এতে সিএনজিটি বাসের নিচে চাপা পড়ে। ঘটনাস্থলেই তিনজন নিহত হন।
পরে গুরুতর আহত অবস্থায় চারজনকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক দুইজনকে মৃত ঘোষণা করেন।
সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুজন সরকার বলেন, ছাতকের জালালপুর এলাকার বাসা ও অটোরিকশার সংঘর্ষে ৫জনের মৃত্যু হয়েছে। মরদেহ আইনি প্রক্রিয়ায় স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
সুনামগঞ্জ দুর্ঘটনা, ছাতক সড়ক দুর্ঘটনা, বাস সিএনজি সংঘর্ষ, সড়ক