সিলেটে ৩২.৮ ডিগ্রি তাপমাত্রায় গরম, বৃষ্টির আভাস
প্রাণ-প্রকৃতি-পরিবেশ
প্রকাশঃ ২৭ আগস্ট, ২০২৬ ৬:১৯ অপরাহ্ন
নেপাল-তিব্বত সীমান্তবর্তী এলাকায় বুধবারের আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে এখন পর্যন্ত অন্তত ৩৩২ জনের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে নেপালের আটটি জেলায় নতুন করে বেশ কয়েকজনের মরদেহ উদ্ধারের পর মৃতের সংখ্যা বেড়েছে। নেপাল পুলিশের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে কাঠমান্ডু পোস্ট।
নেপাল পুলিশের মুখপাত্র আবি নারায়ণ কাফলে সংশোধিত মৃতের সংখ্যা নিশ্চিত করেছেন। তার দেওয়া সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি ১২১ জনের মৃত্যু হয়েছে চিতওয়ানে। এছাড়া নওয়ালপরাসি (পূর্ব) ৭৪, ধাদিঙে ২৯, গোর্খায় ২৯, নুয়াকোটে ২৮, তানাহুনে ১৯, রাসুয়ায় ১৭ এবং নওয়ালপরাসি (পশ্চিম) ১৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
এদিকে ভয়াবহ এই দুর্যোগে এখন পর্যন্ত অন্তত দেড় হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। তাদের মধ্যে তিব্বত সীমান্তবর্তী নেপালের অংশে নিখোঁজ রয়েছেন অন্তত ৭০০ বিদেশি পর্যটক।
বন্যাকবলিত বিভিন্ন জেলায় পুলিশ ও অন্যান্য নিরাপত্তা সংস্থার সদস্যরা অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন। একই সঙ্গে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
বন্যার পানি রাসুয়াসহ বিভিন্ন জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ত্রিশূলী ও নারায়ণী নদীপ্রণালির দিকে নেমে গেছে। এতে নদীর দুই তীরের বসতি, সড়ক, সেতু ও অন্যান্য অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
দুর্যোগের কারণে অনেক এলাকা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এসব এলাকায় হেলিকপ্টারে করে উদ্ধারকারী দল পাঠানো হচ্ছে। পাশাপাশি দুর্গম ও বিচ্ছিন্ন এলাকায় তাঁবু, খাবার এবং অন্যান্য জরুরি সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।
নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তবে দুর্গম পাহাড়ি এলাকা ও যোগাযোগব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় উদ্ধারকাজে নানা ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে। ফলে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
নেপাল, তিব্বত, বন্যা, ভূমিধস, নিহত, উদ্ধার অভিযান