সিলেটে ট্রিপল মার্ডার: তিনজনকেই কুপিয়ে হত্যা করেন কাজের মেয়ের প্রেমিক
অপরাধ-বিচার
প্রকাশঃ ১২ আগস্ট, ২০২৬ ৬:৫৫ অপরাহ্ন
সিলেট নগরীর রায়নগর আবাসিক এলাকার মিতালী ১১১ নম্বর বাসায় একই পরিবারের তিনজন খুনের ঘটনায় আবারও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) কমিশনার সারোয়ার মুর্শেদ শামীম।
বুধবার (১২ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টায় এসএমপির গণমাধ্যম শাখা থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রায়নগরে তিন খুনের ঘটনায় ঘটনাস্থলটি পুনরায় পরিদর্শন করছেন পুলিশ কমিশনার। এর পরিপ্রেক্ষিতে সন্ধ্যায় তিনি আবারও মিতালী ১১১ নম্বর বাসায় যান।
এর আগে বুধবার সকাল আনুমানিক ৯টা থেকে সাড়ে ৯টার মধ্যে ওই বাসার দ্বিতীয় তলা থেকে একই পরিবারের তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতরা হলেন— নিহতরা হলেন ব্যবসায়ী এম এ সাত্তার (৮২), তাঁর স্ত্রী সুরাইয়া বেগম (৭২) এবং নগরীর জল্লারপাড় এলাকার বাসিন্দা গৃহকর্মী তাহমিনা (১৫)।
মরদেহ উদ্ধারের পর বুধবার সকালেই প্রথমবার ঘটনাস্থলে যান পুলিশ কমিশনার সারোয়ার মুর্শেদ শামীম। সেখানে তিনি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন। পরে ঘটনাস্থল থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।
সকালের পরিদর্শন শেষে পুলিশ কমিশনার জানিয়েছিলেন, বাসাটির পরিবারের সদস্যদের ব্যবহৃত ওয়ারড্রোব ও আলমারিগুলো খোলা অবস্থায় পাওয়া গেছে। সেখান থেকে স্বর্ণালংকার বা অন্য কোনো মূল্যবান জিনিস সরানো হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনাটি ডাকাতি, নাকি পারিবারিক কোনো শত্রুতা বা পূর্ববিরোধের জেরে ঘটেছে, সেটিও তদন্ত করা হচ্ছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি দলিলও পাওয়া গেছে বলে জানান তিনি।
হত্যাকাণ্ডে কোনো অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে পুলিশ কমিশনার বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে তখন পর্যন্ত ঘটনাস্থলের ক্রাইম সিন থেকে কোনো অস্ত্র পাওয়া যায়নি।
এদিকে মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ এবং এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে পুলিশের বিশেষ দলও কাজ করছে।
রায়নগর, ট্রিপল মার্ডার, এসএমপি কমিশনার, সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ, হত্যা, তদন্ত