সিলেটে আইসিইউ না পাওয়ার অভিযোগ, হামে উপসর্গে আক্রান্ত আট মাসের শিশুর মৃত্যু
দৈনন্দিন
প্রকাশঃ ৮ আগস্ট, ২০২৬ ২:২০ অপরাহ্ন
সিলেট-ঢাকা মহাসড়কে যানবাহনের অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনকে ইতিমধ্যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। শনিবার (৮ আগস্ট) সকালে সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলায় সাম্প্রতিক সড়ক দুর্ঘটনায় আহতদের দেখতে এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, সকালের দিকে রাস্তা ফাঁকা থাকার সুযোগে চালকদের মধ্যে যে প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব তৈরি হয়, তা নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ফ্লাইওভারে যেভাবে গতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়, একইভাবে মহাসড়কেও গতি নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি হাইওয়ে পুলিশ ও প্রশাসনের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হবে।
তিনি জানান, ওসমানী ও তাজপুর সড়কে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে একাধিক দুর্ঘটনা ঘটেছে, যা নিবৃত্ত করতে প্রশাসন ব্যবস্থা নেবে। বেপরোয়া গাড়ি চালানো রোধে চালকদের আইনের আওতায় আনার আহ্বানও জানান তিনি। তিনি বলেন, এত স্পিড নিয়ে মানুষ চলাফেরা করছে, মানুষের জানমালের নিরাপত্তার জন্য আমার মনে হয় এই ব্যাপারে আরও কঠোর হওয়া উচিত।
হাসপাতাল পরিদর্শনকালে মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার আলোকে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য আর্থিক সহায়তা ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, যারা মৃত্যুবরণ করেছে তাদেরকে ৫ লক্ষ টাকা সরকারের পক্ষ থেকে এবং যারা পঙ্গুত্ব বরণ করেছে তাদেরকে ৩ লক্ষ টাকা। আর যারা এখানে চিকিৎসাধীন আছেন তাদের সুস্থতার জন্য এক লক্ষ টাকা করে দেওয়া হবে।
এসময় সড়ক পরিবহন ও সেতু কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) মাধ্যমে সহায়তার আবেদন ফরম হাসপাতালের পরিচালকের কাছে হস্তান্তর করা হয়। মন্ত্রী জানান, চিকিৎসাধীন ব্যক্তিদের বিষয়টি জেলা প্রশাসন দেখভাল করবে, আর মৃত্যুবরণকারীদের পরিবারের জন্য ফরম পূরণে প্রশাসনের মাধ্যমে সহায়তা করা হবে।
সিলেট-শেরপুর সড়কাংশে ঘন ঘন দুর্ঘটনার প্রসঙ্গে প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ফোরলেন প্রকল্পের জমি অধিগ্রহণের কাজ প্রায় শেষের পথে। বৃষ্টিসহ নানা কারণে কাজে কিছুটা বিলম্ব হলেও সেপ্টেম্বর-অক্টোবরের মধ্যে প্রকল্পের কাজ দৃশ্যমান হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের আগে থেকেই ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের উন্নয়ন নিয়ে আগ্রহী ছিলেন এবং এলাকার সংসদ সদস্য-মন্ত্রীরাও এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট। মাটি ভরাটের কাজ সময়সাপেক্ষ হলেও বিদ্যমান সড়ক দ্রুততম সময়ের মধ্যে সংস্কারের কাজ শুরুর তাগিদ দেন তিনি।
সড়ক দুর্ঘটনা, গতি নিয়ন্ত্রণ, শ্রমমন্ত্রী, আরিফুল হক চৌধুরী, হাইওয়ে পুলিশ, ক্ষতিপূরণ