জৈন্তাপুরে পুলিশের অভিযানে ১৭ লাখ টাকার ভারতীয় জিরা আটক
অপরাধ-বিচার
প্রকাশঃ ৪ জুন, ২০২৬ ১:৫৯ অপরাহ্ন
রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় রায় ঘোষণার জন্য আগামী রোববার (৭ জুন) দিন ধার্য করেছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত রাষ্ট্র ও আসামি পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের এ দিন নির্ধারণ করেন।
এর আগে গত সোমবার (১ জুন) আদালত আসামি সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। পরে দ্রুতগতিতে সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়। চার্জশিটভুক্ত ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়।
পরদিন আত্মপক্ষ সমর্থন শুনানিতে আসামিরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন।
গত ২৪ মে ট্রাইব্যুনাল দুই আসামির বিরুদ্ধে দাখিল করা অভিযোগপত্র আমলে নেয়। একই দিন ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক অহিদুজ্জামান অভিযোগপত্র জমা দেন। পরে মামলাটি বিচারের জন্য শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে মোট ১৭ জন সাক্ষী উপস্থাপনের কথা রয়েছে।
মামলার নথি অনুযায়ী, রামিসা পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সে বাসা থেকে বের হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, আসামি স্বপ্না তাকে কৌশলে নিজ কক্ষে নিয়ে যায়।
এর কিছুক্ষণ পর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শিশুটিকে স্কুলে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন তার মা। একপর্যায়ে আসামির কক্ষের সামনে শিশুটির জুতা দেখতে পান। ডাকাডাকির পর কোনো সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে পরিবারের সদস্যরা শিশুটির মরদেহ দেখতে পান।
পরে ৯৯৯-এ কল দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে আরেক আসামি সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় ২০ মে শিশুটির বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় মামলা করেন।
পল্লবী, রামিসা হত্যা মামলা, শিশু ধর্ষণ হত্যা, ঢাকার আদালত, শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল