১৭ মে ২০২৬

দৈনন্দিন / আন্দোলন-বিক্ষোভ

হবিগঞ্জে ফের অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট, দুর্ভোগে যাত্রীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশঃ ১৭ মে, ২০২৬ ১:৫২ অপরাহ্ন

ছবিঃ সংগৃহীত

মৌলভীবাজার রুটে বাস চলাচলে বাধা, শ্রমিকদের মারধর ও বাস ভাঙচুরের ঘটনার সুষ্ঠু সমাধান না হওয়ায় ফের অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে হবিগঞ্জ মোটর মালিক সমিতি। এর অংশ হিসেবে রোববার সকাল থেকে হবিগঞ্জ থেকে সব রুটে বাস চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ যাত্রী, অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থী ও দূরপাল্লার যাত্রীরা।


রোববার (১৭ মে) সকাল থেকে হবিগঞ্জ-সিলেট, হবিগঞ্জ-মৌলভীবাজার-সিলেটসহ জেলার অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন রুটে কোনো বাস চলাচল করতে দেখা যায়নি। বাস চলাচল বন্ধ থাকায় জেলার বিভিন্ন বাসস্ট্যান্ডে যাত্রীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। অনেকেই বাধ্য হয়ে বিকল্প যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে গন্তব্যে পৌঁছানোর চেষ্টা করেন।


হবিগঞ্জ মোটর মালিক সমিতি সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ মে মৌলভীবাজারের শেরপুর এলাকায় হবিগঞ্জ থেকে ছেড়ে যাওয়া কয়েকটি বাস আটকে দেন মৌলভীবাজারের শ্রমিকেরা। এ সময় বাস ভাঙচুর ও কয়েকজন শ্রমিককে মারধরের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করা হয়। ঘটনার পর সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার ও হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে কয়েক দফা বৈঠক হলেও এখনো কার্যকর কোনো সমাধান হয়নি।


হবিগঞ্জ মোটর মালিক সমিতির সদস্যসচিব আবু মঈন চৌধুরী সোহেল বলেন, বিভাগীয় কমিশনার ও জেলার পুলিশ সুপারের উপস্থিতিতে একাধিক দফায় আলোচনা হয়েছে। কিন্তু এখনো সমস্যার গ্রহণযোগ্য সমাধান হয়নি। এ কারণে আমরা বাস চলাচল বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছি। আজকের মধ্যে সমস্যার সমাধান না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হতে পারে।


বাস চলাচল বন্ধ থাকায় সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন দৈনন্দিন যাত্রীরা। সকালে কাজে বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাওয়ার জন্য বাসস্ট্যান্ডে এসে অনেককে ফিরে যেতে দেখা গেছে। দূরপাল্লার যাত্রীরাও পড়েছেন অনিশ্চয়তায়।


প্রসঙ্গত, একই দাবিতে গত মঙ্গলবার (১২ মে) অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট এবং শনিবার (১৬ মে) ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করে হবিগঞ্জ মোটর মালিক সমিতি। পরে প্রশাসনের আশ্বাসে দুই দফায় কর্মসূচি স্থগিত করা হলেও সমস্যার স্থায়ী সমাধান না হওয়ায় আবারও ধর্মঘটের পথে যায় সংগঠনটি।


শেয়ার করুনঃ

দৈনন্দিন থেকে আরো পড়ুন

হবিগঞ্জ বাস ধর্মঘট, বাস চলাচল বন্ধ, হবিগঞ্জ মোটর মালিক সমিতি, শ্রমিক, যাত্রী দুর্ভোগ

আরো পড়ুনঃ

আরো পড়ুনঃ