যাদুকাটায় তীর কেটে বালু লুট, ৬ জনকে আসামি করে মামলা
অপরাধ-বিচার
প্রকাশঃ ২৩ মে, ২০২৫ ৮:২৪ অপরাহ্ন
মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলায় বন বিভাগের দুই কর্মকর্তার ‘অপব্যবহার ও প্রতিহিংসার’ শিকার হয়ে দেড় কোটি টাকার ক্ষতির মুখে পড়েছেন এক স’মিল মালিক। লাইসেন্স না পেয়ে এবং বারবার হয়রানির শিকার হয়ে এখন প্রশাসনের নানা দপ্তরে ধরনা দিচ্ছেন তিনি।
ক্ষতিগ্রস্ত স’মিল মালিক এসকে লুৎফুর রহমান কুলাউড়া উপজেলার রাউৎগাঁও ইউনিয়নের একিদত্তপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি অভিযোগ করেন, বন বিভাগের কুলাউড়া রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. রিয়াজ উদ্দিন ও গাজীপুর বিটের বাগান মালী আকবর আলীর রোষানলে পড়েন তিনি।
২০২৪ সালের ৫ সেপ্টেম্বর তিনি দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগে উল্লেখ করেন, ১৯৯৮ সালে স’মিল লাইসেন্সের জন্য আবেদন করেন তিনি। কিন্তু লাইসেন্সপ্রাপ্তির আগেই তার বিরুদ্ধে তিনটি মামলা করে বন বিভাগ। দীর্ঘদিন মামলা চলার পর তিনি সবগুলো মামলায় খালাস পান।
পরবর্তীতে ২০২৩ সালের ১৯ নভেম্বর ফের লাইসেন্সের জন্য আবেদন করলে তা নিয়ম অনুযায়ী ৬০ দিনের মধ্যে মঞ্জুর হওয়ার কথা থাকলেও রেঞ্জ কর্মকর্তা রিয়াজ উদ্দিনের কারণে তা আটকে যায় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
অভিযোগে আরও বলা হয়, রিয়াজ উদ্দিন তদন্ত প্রতিবেদনে তার স’মিল রিজার্ভ ফরেস্ট থেকে ৪ কিলোমিটার দূরে উল্লেখ করেন। অথচ ২০০২ সালে লাইসেন্সপ্রাপ্ত একটি স’মিল, যা মাত্র ৬১০ ফুট দূরে, সেটির দূরত্ব বন বিভাগ ১০ কিলোমিটার উল্লেখ করে। এ ছাড়া একই ইউনিয়নে আরও চারটি স’মিল রয়েছে, যেগুলো আইন লঙ্ঘন করে পরিচালিত হলেও বন বিভাগ সেগুলো থেকে নিয়মিত মাসোহারা আদায় করছে।
এসকে লুৎফুর রহমান অভিযোগ করেন, প্রতিহিংসা ও দুর্নীতির কারণে তার স’মিলটি ভেঙে ফেলা হয় এবং একাধিক মামলায় জড়িয়ে তার দেড় কোটি টাকার ক্ষতি হয়।
অভিযোগ বিষয়ে জানতে চাইলে কুলাউড়া রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. রিয়াজ উদ্দিন বলেন, 'আমি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে কাজ করেছি। এসকে লুৎফুর রহমানের স’মিলের কোনো বৈধ লাইসেন্স নেই। তার অভিযোগ ভিত্তিহীন ও বানোয়াট।'
কুলাউড়া স’মিল বিরোধ, এসকে লুৎফুর রহমান, বন বিভাগ কুলাউড়া