সিলেটে নিরাপদ যাতায়াত পরিষদের সম্পূর্ণ কমিটি গঠিত
দৈনন্দিন
প্রকাশঃ ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ৩:০২ অপরাহ্ন
শ্রীমঙ্গলের বেলতলী এলাকায় বিটি.আর.আই এর কাছে বিস্তৃত কাশবনে এ বছর দেখা দিচ্ছে ভিড়ের রোমাঞ্চ। এক কিলোমিটার জুড়ে শুভ্র কাশফুলের বনভূমি এখন পর্যটকদের প্রধান আকর্ষণ। নীল আকাশের নিচে সাদা মেঘের ভেলার মতো দুলছে হাজারো ফুল। বাতাসে নরম ফুলের ছোঁয়ায় বেড়ছে দর্শনার্থীদের আনাগোনা।
বুধবার বিকেলে কাশবনটি পরিণত হয়েছিল জনকোলাহলের কেন্দ্রে। পরিবার ও বন্ধুদের নিয়ে ছুটে এসেছেন অনেকে। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা দল বেঁধে ঘুরে বেড়াচ্ছে। কেউ ছবি তুলছেন, কেউ শরতের সৌন্দর্য উপভোগ করছেন। পাশ দিয়ে বয়ে চলেছে ভুরভুরিয়া ছড়া। হাটু সমান পানি ভেঙে এগিয়ে গেলেই সামনে বিশাল কাশবন।
শরীয়তপুর থেকে আসা রুবা সুলতানা বলেন, প্রকৃতি ভালোবেসে এসেছি সবুজ চা বাগান দেখতে। কাশবন দেখে মুগ্ধ হয়েছি।
শ্রীমঙ্গলের মেয়ে বিলকিছ সুলতানা মন্তব্য করেন, এই কাশবন এখন পর্যটকদের কাছে আর্কষণীয় হয়ে উঠেছে। এক নজর দেখার জন্য সবাই ভিড় করছে।
ঢাকা থেকে আসা সাদাত হোসেন জানান, বাংলার প্রকৃতিতে শরৎকালে এই অসাধারণ সৌন্দর্য দেখা যায়। রাশি রাশি কাশফুলের এই অপরূপ দৃশ্য দেখার জন্যই ঢাকা থেকে চলে এসেছি।
ট্যুর গাইড শ্যামল দেব বর্মা বলেন, দিগন্তজোড়া কাশফুলের মনোরম দৃশ্য প্রকৃতি প্রেমিদের আকৃষ্ট করছে। শরৎ ঋতুর অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো কাশফুল। শ্রীমঙ্গলের এই কাশবন পর্যটক আকর্ষণে বড় ভূমিকা রাখছে।
শ্রীমঙ্গল পর্যটন সেবা সংস্থার সাধারণ সম্পাদক এস কে দাস সুমন জানান, গত দু'বছর ধরে এখানে যুক্ত হয়েছে নতুন কাশবন। প্রতিদিন বাড়ছে পর্যটকদের আনাগোনা। এই স্পট স্থানীয় পর্যটন শিল্পে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে।
কাশফুল, শরৎ, পর্যটন, শ্রীমঙ্গল, প্রকৃতি, কাশবন