এবার শাহজালাল মাজারে মিলল ৭০ লাখ ৮৮ হাজার টাকা
দৈনন্দিন
প্রকাশঃ ১৫ আগস্ট, ২০২৬ ৪:০৪ অপরাহ্ন
সিলেট নগরীর রায়নগরের মিতালী আবাসিক এলাকায় প্রবীণ ব্যবসায়ী আব্দুস সাত্তার, তার স্ত্রী সুরাইয়া বেগম ও গৃহকর্মী তাহমিনাকে হত্যার ঘটনায় প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
তিনি বলেছেন, এ ধরনের হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা শুধু ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্যই নয়, ভবিষ্যতে একই ধরনের ঘটনা প্রতিরোধেও গুরুত্বপূর্ণ।
শনিবার দুপুরে রায়নগরের মিতালী আবাসিক এলাকায় নিহত আব্দুস সাত্তার ও সুরাইয়া বেগম দম্পতির ছেলে-মেয়ে ও স্বজনদের সঙ্গে দেখা করেন খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। পরে সেখান থেকে বের হওয়ার সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, কোনো ঘটনার প্রকৃত অপরাধীকে চিহ্নিত ও গ্রেপ্তার করা ন্যায়বিচারের একটি অংশ। একই সঙ্গে অপরাধীদের যথাযথভাবে শনাক্ত করে বিচারের আওতায় আনা হলে তা ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধ ঠেকাতে দৃষ্টান্ত হিসেবে কাজ করবে।
মন্ত্রী বলেন, ‘সিলেটের নিরাপত্তার স্বার্থে, দেশের মানুষের নিরাপত্তাবোধ যেন আশ্বস্ত থাকে, সে জন্য প্রকৃত অপরাধীকে চিহ্নিত করা ও গ্রেপ্তার করা প্রয়োজন।’
তিনি আরও বলেন, এ ধরনের ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসা জরুরি। অপরাধের সঙ্গে যারাই জড়িত থাকুক, তাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হলে মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাবোধ তৈরি হবে।
নিহত পরিবারের স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় মন্ত্রী তাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং ঘটনার বিষয়ে তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন বিষয় শোনেন।
এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিউক) চেয়ারম্যান ও মহানগর বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এবং সিনিয়র সহসভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদীসহ বিএনপির অন্যান্য নেতাকর্মী।
উল্লেখ্য, বুধবার (১২ আগস্ট) সকালে সিলেট নগরের রায়নগর মিতালী আবাসিক এলাকার ১১১ নম্বর বাসার দোতলা থেকে আব্দুস সাত্তার (৮২), তার স্ত্রী সুরাইয়া বেগম (৭২) ও গৃহকর্মী তাহমিনার (১৫) গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
ঘটনার পর ওইদিন বিকেলে সন্দেহভাজন হিসেবে বাবুল মিয়া (৪০) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি রায়নগর রাজবাড়ী এলাকার আক্তার মিয়ার কলোনির মৃত নূর মিয়া (কবিরাজ) এর ছেলে। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সন্ধ্যায় বাবুল মিয়াকে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
ঘটনার পর সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ পুলিশ কমিশনার (উত্তর) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানিয়েছিলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বাবুল জানিয়েছেন তিনি ওই বাসায় রং মিস্ত্রির কাজ করতেন। এই সুবাদে গৃহকর্মী তাহমিনার সঙ্গে তার পরিচয় ও যোগাযোগ হয়।
তিনি আরও জানিয়েছিলেন, ঘটনার দিন গৃহকর্মী তাহমিনার কোনো আচরণে ক্ষুব্ধ হয়ে বাবুল প্রথমে তাকে এবং পরে একে একে আরও দুজনকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করেন। এরপর বারান্দা দিয়ে পালিয়ে যান।
সিলেট তিন খুন, রায়নগর হত্যাকাণ্ড, আব্দুস সাত্তার, সুরাইয়া বেগম, তাহমিনা হত্যা, খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, সিলেটের নিরাপত্তা, প্রকৃত অপরাধী, হত্যাকাণ্ডের তদন্ত, রায়নগর মিতালী আবাসিক এলাকা, সিলেট মহানগর