দিরাইয়ে অবৈধ কারেন্ট জালের বিরুদ্ধে অভিযান, দুইজনের কারাদণ্ড
অপরাধ-বিচার
প্রকাশঃ ২৪ জুন, ২০২৬ ৪:৩১ অপরাহ্ন
সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে এক নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলার আরও এক পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৯)।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিকেলে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার ওয়েজখালী নৌকাঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে আলমগীর (৩৫) নামের ওই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি দোয়ারাবাজার উপজেলার জালালপুর গ্রামের আব্দুল খালিকের ছেলে।
র্যাব-৯ জানিয়েছে, দোয়ারাবাজার থানায় দায়ের করা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তাকে দোয়ারাবাজার থানায় হস্তান্তর করা হয়।
মামলার এজাহার ও র্যাব সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী নারী সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার জানিগাঁও এলাকার বাসিন্দা। পারিবারিক বিরোধের কারণে তিনি প্রায় চার বছর ধরে স্বামীর কাছ থেকে আলাদা হয়ে বাবার বাড়িতে বসবাস করছিলেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১৮ মার্চ সন্ধ্যায় মামলার প্রধান আসামি অমল দাস তাকে ফোন করে মামার বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে ওয়েজখালী পেট্রোলপাম্প এলাকায় ডেকে নেন। পরে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে মান্নারগাঁও ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে অন্য আসামিদের সহযোগিতায় তাকে সারারাত একাধিকবার ধর্ষণ করা হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
পরদিন সকালে অসুস্থ অবস্থায় ওই নারীকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে তিনি নিজেই বাদী হয়ে দোয়ারাবাজার থানায় মামলা করেন।
ঘটনার পর আসামিদের গ্রেপ্তারে র্যাব-৯ ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়ায়। এরই ধারাবাহিকতায় আলমগীরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বাহিনীটি।
র্যাব আরও জানিয়েছে, এর আগে গত ২৭ মার্চ এই মামলার এজাহারভুক্ত ১ নম্বর আসামি অমল দাসকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।
র্যাব-৯ বলেছে, মামলার অন্যান্য বিষয় তদন্তের পাশাপাশি পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে তাদের অভিযান ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
দোয়ারাবাজার গণধর্ষণ, সুনামগঞ্জ ধর্ষণ মামলা, আলমগীর গ্রেপ্তার, র্যাব-৯, দোয়ারাবাজার থানা, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন