সিলেটে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রাখায় দুই ফার্মেসিকে জরিমানা
অপরাধ-বিচার
প্রকাশঃ ৭ জুন, ২০২৬ ৩:২৬ অপরাহ্ন
ঢাকার পল্লবীতে আট বছরের রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যার মামলায় দুই আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছেন আদালত। রায় ঘোষণার পর আদালত কক্ষে আইনজীবীসহ উপস্থিত অনেকেই শুকরিয়া আদায় করেন।
রোববার ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে এ রায় ঘোষণা করা হয়। রায় পাঠের সময় আদালতে আবেগঘন পরিবেশ তৈরি হয়।
রায় ঘোষণার আগে সকাল ৮টা ২৫ মিনিটে স্বপ্না আক্তারকে কাশিমপুর কারাগার থেকে এবং পৌনে ৯টার দিকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে সোহেল রানাকে আদালতে আনা হয়। পরে তাদের রাখা হয় মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায়।
বেলা পৌনে ১১টার দিকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে প্রথমে সোহেল রানাকে এজলাসে তোলা হয়। কিছুক্ষণ পর স্বপ্না আক্তারকেও তোলা হয় এজলাসে। এ সময় তাদের মাথায় হেলমেট ও বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট ছিল। কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে সোহেল রানা দোয়া-কালাম পড়ছিলেন। স্বপ্না আক্তার ছিলেন নির্বাক; তবে তাকে কাঁদতে দেখা যায়।
বিচারক মাসরুর সালেকীন বেলা ১১টায় এজলাসে ওঠেন এবং রায় পাঠ শুরু করেন। তিনি মামলার নথি, সাক্ষ্যপ্রমাণ ও আসামিদের জবানবন্দির সারসংক্ষেপ তুলে ধরেন। পরে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করা হয়।
রায় ঘোষণার পর আদালত কক্ষে উপস্থিত আইনজীবীসহ অনেকে শুকরিয়া আদায় করেন। রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, রায়ে তিনি সন্তুষ্ট এবং এটি তার প্রত্যাশার প্রতিফলন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু বলেন, ভুক্তভোগী পরিবার ন্যায়বিচার পেয়েছে। অন্যদিকে রাষ্ট্রনিযুক্ত আসামিপক্ষের আইনজীবী মুসা কালিমুল্লাহও রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, আসামিরা দায় স্বীকার করায় আদালতের রায় হয়েছে এবং বিচারপ্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।
রামিসা আক্তার হত্যা মামলা, পল্লবী শিশু হত্যা, পল্লবী ধর্ষণ মামলা, সোহেল রানা, স্বপ্না আক্তার, মৃত্যুদণ্ডের রায়