জার্মানির আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় সিলেটের বৃষ্টি খাতুনের সাফল্য
প্রবাস
প্রকাশঃ ৯ মে, ২০২৬ ১:০৭ অপরাহ্ন
জার্মানির মিউনিখ-এ অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক টেকসই উন্নয়নভিত্তিক প্রতিযোগিতা গ্লোবাল সাসটেইনেবিলিটি চ্যালেঞ্জ-এর চূড়ান্ত পর্বে অংশ নিয়ে সাফল্যের নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন সিলেটের কৃতি সন্তান ও সানওয়ে বিশ্ববিদ্যালয়-এর পিএইচডি গবেষক বৃষ্টি খাতুন।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের তরুণ গবেষক, বিজ্ঞানী ও উদ্ভাবকদের সঙ্গে একই মঞ্চে দাঁড়িয়ে নিজের গবেষণা ও উদ্ভাবনী চিন্তার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন তিনি।
তিন দিনব্যাপী এই প্রতিযোগিতার মূল প্রতিপাদ্য ছিল পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা, টেকসই কৃষি, খাদ্য নিরাপত্তা এবং পুনর্ব্যবহারযোগ্য সম্পদ ব্যবস্থাপনা নিয়ে কার্যকর ও উদ্ভাবনী সমাধান খুঁজে বের করা।
জানা যায়, বিশ্বের ৯১টি দেশ থেকে প্রায় সাড়ে তিন হাজার প্রতিযোগী এবং ৮০০-এর বেশি দল এতে অংশ নেয়। কঠোর বাছাই শেষে নির্বাচিত ১০০ জন প্রতিযোগী চূড়ান্ত পর্বে অংশ নেওয়ার সুযোগ পান, যেখানে জায়গা করে নেন বৃষ্টি খাতুন।
বর্তমানে বৃষ্টি খাতুন সানওয়ে বিশ্ববিদ্যালয়-এ টেকসই উন্নয়ন বিষয়ে পিএইচডি গবেষণা করছেন। তার গবেষণার কেন্দ্রবিন্দু পরিবেশবান্ধব কৃষি ব্যবস্থা, খাদ্য বর্জ্যের পুনঃব্যবহার, মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি এবং দীর্ঘমেয়াদি টেকসই কৃষি উন্নয়ন। তার গবেষণা ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রশংসা কুড়িয়েছে।
চূড়ান্ত পর্বে অংশ নিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের গবেষক, প্রকৌশলী ও উদ্ভাবকদের সঙ্গে মতবিনিময় এবং যৌথভাবে কাজ করার সুযোগ পান তিনি। এ সময় বিভিন্ন সেমিনার, কর্মশালা ও উপস্থাপনায় টেকসই উন্নয়নের বাস্তবসম্মত নানা সমাধান তুলে ধরা হয়।
নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বৃষ্টি খাতুন বলেন, “এ ধরনের আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে অংশ নেওয়া আমার জন্য অত্যন্ত অনুপ্রেরণাদায়ক। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের গবেষকদের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতের গবেষণা ও পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”
তিনি আরও বলেন, “বর্তমান বিশ্বে পরিবেশগত সংকট দিন দিন জটিল হয়ে উঠছে। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তরুণদের উদ্ভাবনী চিন্তা, গবেষণা ও কার্যকর উদ্যোগই ভবিষ্যতের সবচেয়ে বড় আশার জায়গা। এমন একটি আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে পেরে আমি গর্বিত।”
ষ্টি খাতুন, সিলেটের কৃতি সন্তান, গ্লোবাল সাসটেইনেবিলিটি চ্যালেঞ্জ, মিউনিখ প্রতিযোগিতা, টেকসই উন্নয়ন