সেপ্টেম্বর-অক্টোবর থেকে স্থানীয় নির্বাচন: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা
নির্বাচন
প্রকাশঃ ৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ৬:০৬ অপরাহ্ন
প্রশাসন নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড আাগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে নিশ্চিত না করলে আমরন অনশনে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) প্রার্থী অ্যাডভোকেট আনোয়ার হোসেন সুমন। তিনি অভিযোগ করেছেন, আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে তাঁর প্রচারণার বিলবোর্ড অপসারণ করা হলেও অন্য প্রার্থীদের ক্ষেত্রে একই বিধি প্রয়োগ করা হচ্ছে না।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সিলেটের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে আনোয়ার হোসেন সুমন বলেন, নির্বাচনে তিনি আইনসম্মতভাবে ২০টি বিলবোর্ড স্থাপন করেছিলেন। নির্বাচন আচরণবিধি পর্যালোচনা করে তিনি নিশ্চিত হয়েছেন, বিধিমালার ১৪ নম্বর দফায় বিলবোর্ডের ক্ষেত্রে রঙিন হওয়া নিষিদ্ধ এমন কোনো নির্দেশনা নেই। একইভাবে বিধিমালার ৭ নম্বর দফার বিভিন্ন উপদফায় অন্যান্য ব্যানার ও ফেস্টুনের ওপর যে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, তা বিলবোর্ডের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
তিনি জানান, এসব বিষয় যাচাই–বাছাই শেষে তিনি সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে লিখিতভাবে অবহিত করেন এবং গত ২২ জানুয়ারি প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করার পরই বিলবোর্ডগুলো স্থাপন করা হয়। এরপরও কোনো ধরনের নোটিশ বা পূর্ববার্তা ছাড়াই পুলিশ পাঠিয়ে তাঁর বিলবোর্ডগুলো খুলে ফেলা হয়। প্রথমে তিনি ধারণা করেছিলেন, দুর্বৃত্তরা এ কাজ করেছে। পরে নিশ্চিত হন, প্রশাসনের পক্ষ থেকেই বিলবোর্ডগুলো অপসারণ করা হয়েছে।
সিপিবির এই প্রার্থী অভিযোগ করে বলেন, সিলেট মহানগরে দুইজন প্রার্থী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে প্রতিটি ওয়ার্ডে দুই থেকে তিনশ বিলবোর্ড স্থাপন করেছেন। পাশাপাশি বৈদ্যুতিক খুঁটি ও গাছে ফেস্টুন লাগানো, নির্ধারিত সাইজ অমান্য করা এবং সিএনজিচালিত অটোরিকশায় পোস্টার লাগানোর মতো একাধিক অনিয়ম হলেও প্রশাসন বা রিটার্নিং কর্মকর্তার পক্ষ থেকে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
তিনি বলেন, সিলেটে প্রায় ১০ হাজার সিএনজির মধ্যে অধিকাংশতেই ওই দুই প্রার্থীর পোস্টার রয়েছে। এসব অনিয়ম উপেক্ষা করে কেবল তাঁর আইনসম্মত বিলবোর্ডগুলো অপসারণ করা হয়েছে, যা স্পষ্টভাবে পক্ষপাতমূলক আচরণের ইঙ্গিত দেয়।
সংবাদ সম্মেলনে টিলাগড় পয়েন্টে একটি বিলবোর্ড অপসারণের ঘটনার কথাও উল্লেখ করেন আনোয়ার হোসেন সুমন। তাঁর দাবি, বিলবোর্ড খুলে নেওয়ার মাত্র ১০ মিনিটের মধ্যেই একই স্থানে, একই কাঠামো ও একই সাইজে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর একটি বিলবোর্ড স্থাপন করা হয়। বিষয়টি তিনি সংশ্লিষ্ট পক্ষকে অবহিত করেছেন বলেও জানান।
তিনি বলেন, শ্রমজীবী ও মেহনতি মানুষের মধ্যে তাঁর ব্যাপক জনপ্রিয়তা তৈরি হওয়ায় একটি পক্ষ ভীত হয়ে তাঁর বিরুদ্ধে পক্ষপাতমূলক আচরণ করছে। এতে নির্বাচনের লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হচ্ছে।
সিলেট, সিপিবি, আনোয়ার হোসেন সুমন, নির্বাচন