২০ এপ্রিল ২০২৬

কৃষি / কৃষি প্রযুক্তি

হাকালুকি হাওরে ৩৯ হাজার ৫০০ জলজ গাছের চারা রোপণ

প্রতিনিধি, কুলাউড়া, মৌলভীবাজার

প্রকাশঃ ২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ৬:৩৫ অপরাহ্ন


এশিয়ার বৃহত্তম হাওর হাকালুকিতে উদ্ভিদ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের লক্ষ্যে ৩৯ হাজার ৫০০টি জলজ গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে হাওরে মাছ ও অতিথি পাখির নিরাপদ অভয়াশ্রম গড়ে উঠবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

 

একসময় হাকালুকি হাওরে বিস্তৃত জলজ বন থাকলেও স্বাধীনতার পর ভূমির দায়িত্ব পরিবর্তন ও অপরিকল্পিত ব্যবহারের কারণে এসব বন ধ্বংস হতে থাকে। পরিবেশগত অবক্ষয়ের ফলে ১৯৯৯ সালে হাকালুকি হাওরকে পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) ঘোষণা করা হয়।

 

পরবর্তীতে পরিবেশ অধিদপ্তরের উদ্যোগে ‘সিডব্লিউবিএমপি’ প্রকল্পের মাধ্যমে বিভিন্ন বিলে হিজল ও করচের চারা রোপণ এবং সংরক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়। এর ধারাবাহিকতায় বর্তমানে কুলাউড়া, জুড়ী, বড়লেখা ও ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন বিলে ও খালের কান্দায় হিজল, করচ ও বরুন গাছের চারা লাগানো হয়েছে।

 

রোপণকৃত এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে—কুলাউড়ার নাগুয়া-লরিবাই বিল, জুড়ীর চাতলা ও নামা তরুল এলাকা, বড়লেখার জল্লা ও মালাম বিল এবং ফেঞ্চুগঞ্জের বিরালী খালের পাড়। এসব চারা রক্ষায় পাহারাদার নিয়োগ ও বাঁশের বেড়া দেওয়া হয়েছে।

 

সরেজমিনে দেখা গেছে, চারাগুলোতে ইতোমধ্যে নতুন কুঁড়ি গজিয়েছে। বর্ষা মৌসুমে পানিতে তলিয়ে গেলেও এসব গাছ টিকে থাকবে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

 

হাকালুকি হাওরে কর্মরত সিএনআরএস-এর নবপল্লব প্রকল্পের কর্মকর্তা তৌহিদুর রহমান বলেন, ‘ফরেন অ্যান্ড কমনওয়েলথ ডেভেলপমেন্ট অফিসের অর্থায়নে এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। এতে হাওরের জলজ বন বৃদ্ধি পাবে এবং বর্ষায় মাছ ও শীতে অতিথি পাখির নিরাপদ আবাস নিশ্চিত হবে।’


শেয়ার করুনঃ

কৃষি থেকে আরো পড়ুন

হাকালুকি হাওর, জলজ গাছ রোপণ, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, অতিথি পাখির অভয়াশ্রম, পরিবেশ উন্নয়ন

আরো পড়ুনঃ

আরো পড়ুনঃ