বন্ধ সরকারি ৬টি পাটকল বেসরকারি উদ্যোগে চালু হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী
ব্যবসা-বাণিজ্য
প্রকাশঃ ৪ মে, ২০২৫ ৩:৫৩ অপরাহ্ন
সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগের অধীনস্থ চাইনিজ কর্নার ও ঢাকাস্থ চীনা দূতাবাসের যৌথ উদ্যোগে আগামী ২০ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘বাংলাদেশ-চায়না টি সামিট ২০২৫’। এদিনে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউ সোশ্যাল সায়েন্স বিল্ডিংয়ে এ সামিট অনুষ্ঠিত হবে।
সামিটে অংশগ্রহণে রেজিস্ট্রেশনের সময়সীমা আগামী ৫ মে পর্যন্ত নির্ধারিত থাকলেও সার্বিক বিবেচনায় রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া আগামী ১০ মে পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।
শনিবার (৩মে) সন্ধ্যায় সামিট আয়োজন কমিটির পক্ষ থেকে এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সামিটে অংশগ্রহণে রেজিস্ট্রেশনের সময়সীমা আগামী ৫ মে, ২০২৫ পর্যন্ত নির্ধারিত ছিল। ইতোমধ্যে রেজিস্ট্রেশনে বেশ সাড়া পড়েছে। সার্বিক বিবেচনায় রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া আগামী ১০ মে, ২০২৫ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে। রেজিস্ট্রেশন বা অন্যান্য তথ্যের জন্য যোগাযোগ করুন: মি. বোরহান উদ্দিন, যোগাযোগ নম্বর: ০১৮৭৬-৯৩৭৫৬৬। ইমেইল: chinesecorner-pss@sust.edu
এছাড়া চা বাগান মালিক, উদ্যোক্তা ও রপ্তানিকারকদের জন্য থাকছে স্টল বরাদ্দ, যার আকার ৮ ফুট বাই ৬ ফুট। স্টলের সঙ্গে থাকবে দুটি টেবিল, তিনটি চেয়ার, বৈদ্যুতিক সকেট, লাইটিং এবং একটি স্ট্যান্ড ফ্যান। রেজিস্ট্রেশন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ২০০০ টাকা । রেজিস্ট্রেশনকারীদের জন্য থাকবে আকর্ষণীয় গিফট ব্যাগ ও লাঞ্চ প্যাক।
এছাড়া সামিটে অংশগ্রহণকারীদের জন্য থাকছে স্টল প্রদর্শন এবং বিভিন্ন রকমের চা পানের সুযোগ। সামিটে চা শিল্পের উপর কয়েকটি একাডেমিক সেশনেরও আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়া সামিটে থাকছে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে চা বাণিজ্য ও সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যে এই ব্যতিক্রমধর্মী সামিটের মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে “বাংলাদেশ-চীন চা বাণিজ্য ও সহযোগিতা উন্নয়ন”। সামিটে চীন থেকে ১২ জন চা ব্যাবসায়ী এবং উদ্যোক্তা অংশ নিবেন।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সিলেট, মৌলভীবাবার এবং হবিগঞ্জ রয়েছে প্রায় দেড়শ চা বাগান। এই সামিটের মাধ্যমে এই এলাকার চা ব্যাবসায়ীদের সাথে চীনের চা ব্যাবসায়ীদের একটি যোগসূত্র স্থাপিত হবে। এটি বাংলাদেশ এবং চীনের চা বাগান মালিক, উদ্যোক্তা ও রপ্তানিকারকদের জন্য বড় সুযোগ। এই ধরণের উদ্যোগ সিলেটে এই প্রথম। কর্তৃপক্ষ আশা করছে, বাংলাদেশ-চায়না টি সামিট ২০২৫ চা শিল্পের অগ্রযাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে উঠবে।
বাংলাদেশের সকল চা বাগান মালিক, উদ্যোক্তা ও রপ্তানিকারকদের এই সামিটে অংশগ্রহণের জন্য আন্তরিক আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে। এই আয়োজন শুধু একটি প্রদর্শনী নয়, বরং এটি একটি বৃহৎ সম্ভাবনার মঞ্চ, যেখানে দেশি চা শিল্প আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের সঙ্গে সংযুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবে।