‘মৃত্যুর আগে ছেলে হত্যার বিচার দেখতে চাই’-শহীদ তুরাবের মা, ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় স্ত্রী
সংগ্রাম-স্বাধীনতা
প্রকাশঃ ২৫ জুলাই, ২০২৫ ১:৫১ অপরাহ্ন
২০২৪ সালের ২৫ জুলাই, পরিস্থিতি থমথমে থাকলেও ছিল না আন্দোলনের তীব্রতা। ইতিমধ্যে পুলিশ ধারাবাহিকভাবে মামলা দায়ের এবং আন্দোলনকারীদের ধরপাকড় চালিয়ে যাওয়ায় ছিল চাপা আতঙ্ক।
এরকম পরিস্থিতি ১৯ জুলাই পুলিশের গুলিতে নিহত সাংবাদিক এটিএম তুরাব হত্যার ঘটনায় মামলা দায়ের করতে কোতোয়ালী থানায় যান তার ভাই আবুল আহসান মো. আজরফ।
তবে অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে দায়ের করা এ মামলাটি অভিযোগ হিসেবে গ্রহণ করেনি থানা পুলিশ। নথিভুক্ত করা হয় সাধারণ ডায়েরি হিসেবে।
কোতোয়ালী থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মঈন উদ্দিন বলেন, ইতিমধ্যে পুলিশ একটি মামলা দায়ের করায় আরেকটি হত্যা মামলা গ্রহণ সম্ভব হচ্ছে না, সাধারণ ডায়েরিটি তদন্ত কর্মকর্তা হত্যা মামলার সাথে তদন্ত করবেন।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্লকেড কর্মসূচির কারণে বন্ধ থাকা রেল যোগাযোগ এদিন থেকে আবারও শুরু করার পরিকল্পনা থাকলেও শেষ মুহূর্তে তা বাতিল করে রেল কর্তৃপক্ষ।
এদিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান আরো তিনজন আহত শিক্ষার্থী। এ নিয়ে গণমাধ্যমের হিসেবে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাড়ায় ২০৩ জনে। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এইদিন এক প্রতিবেদনে জানায় যে আন্দোলন দমাতে সরকার প্রাণঘাতি অস্ত্র ব্যবহার করেছে।
এদিন সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ২৮, ২৯, ৩১ জুলাই ও ১ আগস্টের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। এর আগেও চারটি পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছিলো।
২৫ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ঘোষিত চার দফা জরুরি দাবির ডেডলাইন শেষ হলেও পুলিশী তৎপরতায় কোন বৈঠক করতে না পারায় নতুন কর্মসূচির ঘোষণা আসেনি। তবে সমন্বয়ক হান্নান মাসউদের বরাতে পরদিন (২৬ জুলাই) শুক্রবার সারাদেশের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে প্রার্থনা ও শোক মিছিলের ঘোষণা দেয়া হয়।
সিলেট, জুলাই অভ্যুত্থান, সাংবাদিক তুরাব, নিহত সাংবাদিক, শহীদ তুরাব, ফিরে দেখা, ২৫ জুলাই ২০২৪

ফিরে দেখা জুলাই অভ্যুত্থান
