জকিগঞ্জে যৌথ অভিযানে ওয়ান শুটার গান, ডেটোনেটর ও বিস্ফোরক উদ্ধার
অপরাধ-বিচার
প্রকাশঃ ১৬ জুন, ২০২৫ ৪:২৬ অপরাহ্ন
সিলেট থেকে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে ফেরার পথে চলন্ত বাসে এক গার্মেন্টস কর্মীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠেছে। এ ঘটনার পর সেনাবাহিনী ও পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে বাস চালককে আটক এবং ভুক্তভোগী কিশোরীকে উদ্ধার করেছে।
রোববার (১৫ জুন) দিবাগত রাত আনুমানিক ১২টার দিকে নবীগঞ্জ-আউশকান্দি সড়কের ছালামতপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে বাস চালককে আটক এবং ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, ধর্ষণের শিকার কিশোরী বানিয়াচং উপজেলার বড় বাজার এলাকার বাসিন্দা এবং ঢাকার ফার্মগেটের একটি গার্মেন্টসে কাজ করেন। ওই দিন ঢাকার ফার্মগেট থেকে ‘বিলাশ পরিবহন’ নামের একটি বাসে করে বাড়ি ফিরছিলেন তিনি। তার শায়েস্তাগঞ্জে নামার কথা থাকলেও তিনি গাড়িতে ঘুমিয়ে পড়ায় বাসটি সিলেট পর্যন্ত চলে যায়। সিলেটে পৌঁছার পর ঘুম ভাঙলে ওই কিশোরী নবীগঞ্জ হয়ে বানিয়াচং যাওয়ার উদ্দেশ্যে সিলেট-নবীগঞ্জ রুটে চলাচলকারী ‘মা এন্টারপ্রাইজ’ নামের একটি বাসে ওঠেন। বাসটি বিভিন্ন স্থান থেকে যাত্রী উঠানো-নামানোর সময় ধীরে ধীরে ফাঁকা হয়ে পড়ে। শেরপুর এলাকায় পৌঁছার পর অন্যান্য যাত্রীরা নেমে গেলে বাসে ওই কিশোরী একা হয়ে পড়েন। এরপর চলন্ত অবস্থায় বাসের হেলপার লিটন মিয়া এবং পরে চালক শাহ সাব্বির মিয়া তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। বাসটি নবীগঞ্জ উপজেলার আউশকান্দি এলাকায় পৌঁছলে কিশোরী জোরে চিৎকার শুরু করেন। তার চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন দ্রুত সেনাবাহিনী ও পুলিশকে খবর দেন।
এসময় খবর পেয়ে নবীগঞ্জ থানা পুলিশ ও সেনাবাহিনীর একটি দল ছালামতপুর এলাকায় অবস্থান নেয়। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় বাসের গতিরোধ করে বাসচালক শাহ্ সাব্বির মিয়াকে আটক এবং ভুক্তভোগী কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়। তবে অভিযুক্ত হেলপার লিটন মিয়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে বাস থেকে নেমে পালিয়ে যায়।
হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার এ এন এম সাজেদুর রহমান বলেন, ঘটনার পর তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে ভুক্তভোগীকে উদ্ধারের পরপরই বাস চালককে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত বাস চালকের সহকারীকে গ্রেপ্তারের করার চেষ্টা চলছে। চালানো হচ্ছে। এ ঘটনাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সিলেট বাস ধর্ষণ, নবীগঞ্জ গার্মেন্টস কর্মী ধর্ষণ, মা এন্টারপ্রাইজ বাস, হবিগঞ্জ বাসে ধর্ষণ,