কমলগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে সংকটাপন্ন বিরল প্রজাতির লজ্জাবতী বানর
প্রাণ-প্রকৃতি-পরিবেশ
প্রকাশঃ ২৬ জুলাই, ২০২৬ ১২:৪৬ অপরাহ্ন
সুনামগঞ্জের নদ-নদীর পানি আরও কমেছে। জেলার সবকটি পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রেই পানির স্তর এখন বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে আপাতত বন্যার আশঙ্কা কেটে গেছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। তবে উজানে ভারী বৃষ্টিপাত হলে পরিস্থিতির পরিবর্তন হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টদের সতর্কতা রয়েছে।
রোববার (২৬ জুলাই) সকাল ৯টার পাউবোর দৈনিক পানির স্তর বুলেটিনে এসব তথ্য জানানো হয়।
বুলেটিন অনুযায়ী, জেলার প্রধান পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র সুনামগঞ্জ স্টেশনে পানির স্তর রেকর্ড করা হয়েছে ৬ দশমিক ৯৮ মিটার, যা বিপৎসীমার ৮২ সেন্টিমিটার নিচে। আগের দিন সন্ধ্যা ৬টায় এখানে পানির স্তর ছিল ৭ দশমিক ৪ মিটার এবং সকাল ৬টায় ছিল ৭ মিটার। গত ২৪ ঘণ্টায় এ এলাকায় মাত্র ১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
এদিকে লাউরেরগড় স্টেশনে পানির স্তর রয়েছে ৬ দশমিক ৬৩ মিটার, যা বিপৎসীমার ১ দশমিক ৪২ মিটার নিচে। ছাতক স্টেশনে পানির স্তর ৮ দশমিক ২৬ মিটার, যা বিপৎসীমার ৪৪ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। দিরাই স্টেশনে পানির স্তর অপরিবর্তিত থেকে ৬ দশমিক ৭ মিটার রয়েছে, যা বিপৎসীমার ৪৮ সেন্টিমিটার নিচে অবস্থান করছে।
এছাড়া জগন্নাথপুর ও সোলামানপুর স্টেশনে পানির স্তর যথাক্রমে ৬ দশমিক ৪৫ মিটার এবং ৬ দশমিক ২৮ মিটার রেকর্ড করা হয়েছে। তবে এই দুটি স্টেশনের জন্য এখনো কোনো বিপৎসীমা নির্ধারণ করা হয়নি।
জেলার নদ-নদীর পানি ধারাবাহিকভাবে কমতে থাকায় হাওরাঞ্চলের মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। সাম্প্রতিক সময়ে ভারী বর্ষণ না হওয়ায় এবং উজান থেকেও অতিরিক্ত ঢল না আসায় পানি দ্রুত নেমে যাচ্ছে।
তবে উজানে টানা ভারী বৃষ্টিপাত শুরু হলে নদ-নদীর পানির স্তর আবারও বাড়তে পারে। তাই পরিস্থিতির ওপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা।
সুনামগঞ্জ, সুনামগঞ্জ বন্যা, নদ-নদীর পানি, পানির স্তর, পানি উন্নয়ন বোর্ড, পাউবো, সুনামগঞ্জ নদীর পানি, বন্যার শঙ্কা, হাওর, ছাতক