১৯ জুলাই ২০২৬

দৈনন্দিন

সুনামগঞ্জে রাতে বালু উত্তোলন ও পরিবহনে নিষেধাজ্ঞা

প্রতিনিধি, সুনামগঞ্জ

প্রকাশঃ ১৫ জুলাই, ২০২৬ ২:১৬ অপরাহ্ন


সুনামগঞ্জে বালুমহালগুলোতে পাম্প ও ড্রেজার ব্যবহার করে বালু উত্তোলন এবং রাতের বেলা বালু ও মাটি তোলা-পরিবহনের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে জেলা প্রশাসন। অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও পরিবহন বন্ধে এ নির্দেশনা কার্যকর করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেলে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রচারিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমান স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে জেলার সব বালুমহালের জন্য এ নির্দেশনা অনুসরণের কথা বলা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এখন থেকে পাম্প বা ড্রেজিং মেশিন ব্যবহার করে জেলার কোথাও বালু বা মাটি উত্তোলন করা যাবে না। এছাড়া জেলা প্রশাসকের লিখিত অনুমতি ছাড়া রাতের বেলা কোনোভাবেই বালু বা মাটি উত্তোলন করা যাবে না। একই সঙ্গে বালু ও মাটি পরিবহনের ক্ষেত্রে অবৈধ বা অননুমোদিত যানবাহন ব্যবহারও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী বালুমহাল পরিচালনা নিশ্চিত করা, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং অবৈধ বালু উত্তোলন রোধে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্দেশনা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জানা গেছে, সুনামগঞ্জের সবচেয়ে বড় দুটি বালুমহাল তাহিরপুর উপজেলার জাদুকাটা নদীতে অবস্থিত। বাংলা নববর্ষে এসব মহালের নতুন ইজারা না হওয়ায় আগের ইজারাদাররাই কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। এছাড়া জেলার আরেকটি বড় বালুমহাল চলতি নদীর ধোপাজানে, যা বর্তমানে ইজারাবিহীন রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে জেলার বালুমহালগুলোতে অস্থিরতা বিরাজ করছে। বিশেষ করে ইজারাবিহীন ধোপাজান বালুমহাল থেকে কোটি কোটি টাকার বালু অবৈধভাবে উত্তোলনের অভিযোগ রয়েছে। একই ধরনের অনিয়ম ও বালু লুটের অভিযোগ উঠেছে জেলার সবচেয়ে বড় জাদুকাটা নদীর বালুমহালেও। এসব পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে জেলা প্রশাসনের নতুন নিষেধাজ্ঞাকে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা।


শেয়ার করুনঃ

দৈনন্দিন থেকে আরো পড়ুন

সুনামগঞ্জ, বালুমহালগুলো, ড্রেজার, নিষেধাজ্ঞা

আরো পড়ুনঃ

আরো পড়ুনঃ