সিলেটে ছিনতাইয়ের অভিযোগে দুই তরুণী গ্রেপ্তার, স্বর্ণের নাকফুল উদ্ধার
অপরাধ-বিচার
প্রকাশঃ ৭ জুন, ২০২৬ ১১:৫৮ পূর্বাহ্ন
ঢাকার পল্লবীতে আট বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
একই সঙ্গে সোহেল রানাকে ৫ লাখ টাকা এবং স্বপ্না আক্তারকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
রোববার বেলা ১১টায় ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এ রায় ঘোষণা করেন।
রায়ের আগে সকালে কারাগার থেকে প্রিজন ভ্যানে করে দুই আসামিকে আদালতে আনা হয়। সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে স্বপ্না আক্তার এবং সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে সোহেল রানাকে পুলিশি নিরাপত্তায় আদালতের হাজতখানায় নেওয়া হয়।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে আদালত ৭ জুন রায়ের দিন ঠিক করেন।
মামলার নথি অনুযায়ী, গত ১৯ মে পল্লবীর একটি বাসা থেকে দ্বিতীয় শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর খণ্ডিত লাশ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার আগে ওই বাসার বাসিন্দা সোহেল রানা শৌচাগারের গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যান। ঘটনাস্থল থেকে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করা হয়। পরে একইদিন সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় শিশুটির বাবা পল্লবী থানায় মামলা করেন। পরদিন ২০ মে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার।
১ জুন দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। এরপর সাক্ষ্যগ্রহণ, আত্মপক্ষ সমর্থন ও যুক্তিতর্ক শেষে রায়ের জন্য দিন ধার্য করা হয়।
রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আজিজুর রহমান দুলু যুক্তিতর্কে বলেন, সাক্ষ্য-প্রমাণ ও অন্যান্য আলামতে আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। তিনি আইন অনুযায়ী দুই আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেন।
ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা হলো।
ঢাকা পল্লবী, শিশু হত্যা, ধর্ষণ মামলা, মৃত্যুদণ্ড, সোহেল রানা, স্বপ্না আক্তার, শিশু নির্যাতন, আদালতের রায়