০৮ জুন ২০২৬

অপরাধ-বিচার / বিচার

এমসি কলেজে গৃহবধূ ধর্ষণ: বিচারক ছুটিতে থাকায় হয়নি যুক্তিতর্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশঃ ১৬ নভেম্বর, ২০২৫ ৫:২৭ অপরাহ্ন

ছবিঃ সংগৃহীত

সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে জিম্মি করে গৃহবধূ ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের হওয়া দুই মামলার বিচার কার্যক্রম এখন প্রায় শেষ পর্যায়ে। ধর্ষণ ও অস্ত্র মামলার যুক্তিতর্ক আজ রবিবার (১৬ নভেম্বর) সিলেট দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপনের কথা থাকলেও বিচারক ছুটিতে থাকায় তা হয়নি। এক দিনে যুক্তিতর্ক শেষ না হলে একাধিক দিন ধরে তা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে আদালত।

দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আবুল হোসেন জানান, ধর্ষণ, চাঁদাবাজি, ছিনতাই ও অস্ত্র মামলার ঘটনায় দায়ের হওয়া দুই মামলার যুক্তিতর্ক আজ রোববার অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের আইনজীবীরাও আদালতে উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু বিচারক ছুটিতে থাকায় শুনানি স্থগিত থাকে। নতুন তারিখ পরে নির্ধারণ করা হবে। যুক্তিতর্ক শেষ হলে বিচারক আলোচিত এসব মামলার রায়ের তারিখ ঘোষণা করবেন।

পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আবুল হোসেন জানান,  এ ঘটনায় দুই মামলা হয়েছে যার এখন পর্যন্ত মোট ২৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়েছে। এর মধ্যে গৃহবধূ, তার স্বামী, ম্যাজিস্ট্রেট, তদন্ত কর্মকর্তা, এমসি কলেজের শিক্ষক এবং ওসমানী হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের চিকিৎসক রয়েছেন।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গ্রেপ্তারের পর আট আসামিকে পাঁচ দিন করে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। পরে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন তারা। প্রধান আসামি সাইফুর রহমান, তারেকুল ইসলাম তারেক, শাহ মাহবুবুর রহমান রনি এবং অর্জুন লস্কর ধর্ষণের কথা স্বীকার করেন। রবিউল ও মাহফুজুর ধর্ষণে সহায়তার কথা স্বীকার করেন। সন্দেহভাজন দুই আসামিও জবানবন্দি দিয়েছেন। ছয় আসামির ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠানো হলে পরীক্ষায় ধর্ষণের প্রমাণ মেলে।

ঘটনার রাতে ছাত্রাবাসে সাইফুর রহমানের কক্ষ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে আলাদা মামলা হয়। পরে শাহ মো. মাহবুবুর রহমান রনিকে ওই মামলায় আসামি করা হয়।


শেয়ার করুনঃ

অপরাধ-বিচার থেকে আরো পড়ুন

সিলেট, এমসি কলেজ, গৃহবধূ ধর্ষণ, আদালত

আরো পড়ুনঃ

আরো পড়ুনঃ