
মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলায় সিলেট-ঢাকা ও সিলেট-কক্সবাজার রেলপথে দুটি বিশেষ ট্রেন চালু এবং আখাউড়া-সিলেট রেলপথ সংস্কারসহ আট দফা দাবিতে এক বিশাল মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৯ আগস্ট) দুপুরে কুলাউড়া জংশন স্টেশন এলাকায় এ কর্মসূচি পালিত হয়।
‘কুলাউড়ার সর্বস্তরের ট্রেন যাত্রীবৃন্দ’ ব্যানারে আয়োজিত মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন আন্দোলনের সমন্বয়ক আজিজুল ইসলাম। যৌথ সঞ্চালনায় ছিলেন ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান আখই ও ইসলাম উদ্দিন।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর) প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক এমপি অ্যাডভোকেট নবাব আলী আব্বাস, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট এএনএম আবেদ রাজা, কুলাউড়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক রেদোয়ান খান, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ফজলুল হক খান সাহেদ, ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি বদরুজ্জামান সজল, বাংলাদেশ জাসদের সাংগঠনিক সম্পাদক মইনুল ইসলাম শামীম, অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল গফুর, পৌর জামায়াতের সভাপতি রুহুল আমীন রইয়ব, প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধিরা।
বক্তারা বলেন, সিলেট-ঢাকা ও সিলেট-কক্সবাজার রুটে দুটি বিশেষ ট্রেন চালু করা জরুরি। পাশাপাশি আখাউড়া-সিলেট রেলপথকে সংস্কার করে ডুয়েল গেজ ডাবল লাইনে উন্নীত করতে হবে। আখাউড়া-সিলেট সেকশনে অন্তত একটি লোকাল ট্রেন চালু, সব বন্ধ স্টেশন পুনরায় চালু, কুলাউড়া জংশনে বরাদ্দ আসন সংখ্যা বৃদ্ধি এবং আন্তঃনগর কালনী ও পারাবত এক্সপ্রেসের আযমপুরের পর ঢাকা অভিমুখী সব স্টেশনের যাত্রাবিরতি প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়। এছাড়া ট্রেন সিডিউল বিপর্যয় রোধে ত্রুটিমুক্ত ইঞ্জিন সংযোজন এবং যাত্রী চাহিদা অনুযায়ী অতিরিক্ত বগি সংযোজনের দাবি ওঠে।
আন্দোলনের সমন্বয়ক আজিজুল ইসলাম বলেন, আগামী ১১ আগস্ট রেল উপদেষ্টা, সচিব ও রেলওয়ের শীর্ষ কর্মকর্তাদের কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হবে। ১২ থেকে ১৫ আগস্ট সিলেট বিভাগের বিভিন্ন স্টেশনে মতবিনিময় ও প্রচারপত্র বিতরণ এবং ১৬ আগস্ট কুলাউড়া জংশনে প্রতিবাদ সমাবেশ করা হবে। ওই সমাবেশ থেকে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
শেয়ার করুনঃ
দৈনন্দিন থেকে আরো পড়ুন
মৌলভীবাজার, কুলাউড়া, বিশেষ ট্রেন, রেলপথ সংস্কার


