১১ মে ২০২৬

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

বাংলাদেশ রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী সংস্থার দুই দিনব্যাপি ‘জাতীয় রবীন্দ্রসঙ্গীত উৎসব’ সম্পন্ন

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

প্রকাশঃ ১১ মে, ২০২৬ ৮:০৬ অপরাহ্ন


‘রথের চাকার রবে জাগাও জাগাও সবে, আপনার ঘরে এসো বলভরে, এসো এসো গৌরবে’—এই প্রতিপাদ্যকে ধারণ করে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী সংস্থার আয়োজনে দুই দিনব্যাপী ৩৭তম (সপ্তত্রিংশ) জাতীয় রবীন্দ্রসঙ্গীত উৎসব’ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। 

 

২৫ ও ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (৮ ও ৯ মে ২০২৬) ঢাকার আগারগাঁওস্থ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর মিলনায়তনে এই উতসব অনুষ্ঠিত হয়।

 

উৎসবের উদ্বোধন করেন একুশে পদকপ্রাপ্ত বিশিষ্ট কথাশিল্পী অধ্যাপক আনোয়ারা সৈয়দ হক। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী সংস্থার পক্ষ থেকে ‘কলিম শরাফী পুরস্কার ও সম্মাননা’ প্রদান করা হয় বীর মুক্তিযোদ্ধা ও স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শব্দসৈনিক, দেশবরেণ্য শিল্পী তিমির নন্দী-কে।

 

বাংলাদেশ রবীন্দ্রশিল্পী সংস্থার প্রচার সম্পাদক শিল্পী খোকন চন্দ্র দাস জানিয়েছেন,এবারের উৎসব সদ্যপ্রয়াত উপমহাদেশের বরেণ্য ও কিংবদন্তী  শিল্পী  আশা ভোঁসলে, প্রয়াত প্রবীণ রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী শাহজাহান হাফিজ এবং সদ্যপ্রয়াত স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কণ্ঠযোদ্ধা, বিশিষ্ট নজরুলসঙ্গীত শিল্পী ডালিয়া নওশীন-এর স্মৃতির প্রতি উৎসর্গ করা হয়েছে।দুই দিনব্যাপী এই উৎসবে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত প্রায় দুই শতাধিক প্রতিষ্ঠিত ও প্রতিশ্রুতিশীল শিল্পী একক ও সমবেত কণ্ঠে রবীন্দ্রসঙ্গীত পরিবেশন করেন। পাশাপাশি মঞ্চায়িত হয়েছে নৃত্য, আবৃত্তি ও গীতি আলেখ্য। রবীন্দ্রনাথের নানা ভাবনা চিন্তার নানারস মঞ্চায়নের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত এবং বর্ণাঢ্য মিলনমেলায় রূপ নিয়েছে।এই অনুষ্ঠানে  দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আগত সম্মানিত শিক্ষক, শিক্ষার্থী, বিশিষ্ট রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী এবং রবীন্দ্রসঙ্গীতের  বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন উৎসবে অংশগ্রহণ করেছে।বিভিন্ন সংগঠনের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল সংগীতাঞ্জলি,  বুলবুল ললিতকলা একাডেমীর বিভিন্ন শাখা, উত্তরায়ণ, বিশ্ববীণা, সুরতীর্থসহ বেশ কয়েকটি স্বনামধন্য  রবীন্দ্র সংগীত সংগঠন।

 

দুই দিনের আয়োজনে দেশবরেণ্য শিল্পী তিমির নন্দী, রফিকুল আলম, বুলবুল ইসলাম, লিলি ইসলাম,লাইসা আহমেদ লিসা, খন্দকার খায়রুজ্জামান কাইয়ুম, পীযূষ বড়ুয়া সহ বিভিন্ন শিল্পী একক ও সমবেত সংগীত পরিবেশন করেন।প্রতিদিন সকাল ১০টায় প্রাতঃকালীন এবং বিকেল ৪টায় সান্ধ্যকালীন অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

অনুষ্ঠান প্রসঙ্গে বাংলাদেশ রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী সংস্থার প্রচার সম্পাদক খোকন চন্দ্র দাস বলেন, রবীন্দ্রচর্চা ও রবীন্দ্রসঙ্গীতের শুদ্ধ ধারাকে সকল জেলায় ছড়িয়ে দিতে বাংলাদেশ রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী সংস্থা কাজ করে যাচ্ছে। দেশব্যাপী শিল্পীদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এই উৎসব আমাদের দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যেকে আরো সমৃদ্ধ করবে বলে আমাদের বিশ্বাস।

 

বাংলাদেশ রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী সংস্থার সভাপতি বিশিষ্ট রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী তপন মাহমুদ, নির্বাহী সভাপতি আমিনা আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক পীযূষ বড়ুয়া এবং প্রচার সম্পাদক খোকন চন্দ্র দাসসহ সকল কার্যনির্বাহী সদস্যবৃন্দের সার্বিক সহযোগিতায় অনুষ্ঠানটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়।


শেয়ার করুনঃ

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে আরো পড়ুন

রবীন্দ্রসঙ্গীত উৎসব, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, বাংলাদেশ রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী সংস্থা, ঢাকা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, জাতীয় রবীন্দ্রসঙ্গীত উৎসব

আরো পড়ুনঃ

আরো পড়ুনঃ