এসএসসিতে সিলেট বোর্ডে পরীক্ষার্থী কমেছে ১২,৭৯৮ জন
তথ্যপ্রযুক্তি-শিক্ষা
প্রকাশঃ ২০ জানুয়ারী, ২০২৬ ১২:৫৪ পূর্বাহ্ন
উপাচার্যকে সিলেট না ছাড়ার শর্তে অবরোধ প্রত্যাহার করে নিয়েছেন শাকসু নির্বাচনের দাবিতে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
রাত ১টা ১৫ মিনিটের দিকে তারা প্রশাসনিক ভবনের তালা খুলে দেন এবং সকালে গোলচত্ত্বরে সমাবেশের ঘোষণা দেন।
এ ব্যাপারে শাকসু নির্বাচনে স্বতন্ত্র জিএস প্রার্থী পলাশ বখতিয়ার বলেন, ভিসি প্রোভিসি ট্রেজারাররা অবরুদ্ধ ছিলেন, তাদের পক্ষ থেকে যেন সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হয় সেই প্রেক্ষিতে আমরা তাদের অবরুদ্ধ করে রেখেছিলাম, আপনারা জানেন শাকসু নির্বাচন বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩২০ একরের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই এমনকি আমাদের প্রশাসনের হাতেও পুরোটা নেই এটি কিন্তু হাইকোর্টে চলে গিয়েছে। তারা আমাদের আশ্বস্ত করেছেন তারা যতকিছু করা সম্ভব তারা রিটটি খারিজ করার চেষ্টা করবেন।
তিনি আরও বলেন, আমার নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা করেছি ভিসি স্যার ক্যাম্পাস ছেড়ে যাবেন না তিনি এটিও আশ্বস্ত করেছেন যদি উনাকে ঢাকা যাওয়া দরকার হয় তিনি শুধু ঢাকা যাবেন শাকসু বাস্তবায়নের জন্য। আপনারা জানেন চেম্বার কোর্ট ৩ টায় খুলে এবং তারা সকাল থেকেই চেষ্টা করবেন।
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) নির্বাচনের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সিন্ডিকেটের সাথে বৈঠক শেষ হয়েছে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১১ টার দিকে বৈঠক শেষে শাকসু নির্বাচনের জন্য আইনী লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. এম. সরওয়ারউদ্দিন চৌধুরী। তবে নির্বাচন না হওয়ার আগ পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবার ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরাও।
এছাড়া টানা দুই ঘঘন্টাব্যাপী শিক্ষার্থীদের সাথে চলে সিন্ডিকেটের সঙ্গে বৈঠক। বৈঠকে গাফিলতির কারণে নির্বাচন স্থগিতাদেশ এসেছে বলে প্রশাসনের কড়া সমালোচনা করেন শিক্ষার্থীরা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. এ. এম. সরওয়ারউদ্দিন চৌধুরী বলেন, যেহেতু তিন শিক্ষার্থীর রিটের প্রেক্ষিতে হাইকোর্ট শাকসু নির্বাচন স্থগিত করেছেন এবং আমরাও এই রায়ের বিরুদ্ধে চেম্বার আদালতে আবেদন করেছি সেক্ষেত্রে আমরা আইনী লড়াই চালিয়ে যাব।
তিনি আরও বলেন, যদি চেম্বার আদালত আমাদের কাল রায় দেয় নির্বাচনের তাহলে আমরা পরশুই নির্বাচনের আয়োজন করতে পারব।
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) নির্বাচনের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সিন্ডিকেটের সাথে বৈঠকে বসেছে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৯ টার দিকে ছাত্র ও হল সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী ও শিক্ষার্থীদের সাথে এ বৈঠকে বসে সিন্ডিকেট। বৈঠকে বসার বিষয়টি সিলেট ভয়েসকে নিশ্চিত করেছেন শিবির সমর্থিত দুর্বার সাস্টিয়ান ঐক্য প্যানেলের প্রার্থী দেলোয়ার হাসান শিশির।
দেলোয়ার হাসান শিশির বলেন, আমরা এখন সিন্ডিকেটের সাথে বৈঠকে আছি, সেখানে যা সিদ্ধান্ত আসবে আমরা আপানাদের জানাব।
এদিকে আন্দোলনের একাংশের শিক্ষার্থীরা সিন্ডিকেটের সাথে বৈঠকে বসলেও বাহিরে প্রশাসন ভবনের সামনে স্লোগান ও বিক্ষোভ করতে থাকেন শিক্ষার্থীরা।
সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন না হলে ৯ হাজার শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন হুমকির মুখে পড়বে বলে দাবি করছে জামায়াতপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন ইউনিভার্সিটি টিচার্স লিংকের (ইউটিএল) সাস্ট চ্যাপ্টার।
সোমবার সন্ধ্যায় (১৯ জানুয়ারি) এই আশঙ্কার কথা জানান ইউটিএল সাস্ট চ্যাপ্টারের সদস্য সচিব অধ্যাপক মো. সাইফুল ইসলাম।
তিনি বলেন, ‘শাকসু নির্বাচন যদি বন্ধ হয়ে যায়, লম্বা সময়ের জন্য আমাদের ৯ হাজার শিক্ষার্থী সেশনজটে পড়বে। তাদের শিক্ষাজীবন হুমকির মুখে পড়ে যাবে। আমরা শিক্ষক হিসেবে কোন অবস্থাতেই একদিনের জন্যও ক্লাস পরীক্ষা বন্ধ হোক এটা চাই না।’ এজন্য দ্রুত সময়ের মধ্যে শাকসু নির্বাচন সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, চেম্বার জজ আদালত বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আবেদন গ্রহণ করেছেন। কিন্তু শুনানী আজকে হচ্ছে না বলেই আমরা জেনেছি। যার পরবর্তী সিদ্ধান্ত সিন্ডিকেট নিবে। দ্রুতই জরুরী সিন্ডিকেট সভা শুনেছি ডাকা হবে। আমরা যারা শিক্ষক আমরা আসলে আশা করছি চেম্বার জজ আদালত দ্রুতই রায় প্রদান করবে।
সংগঠনটির সাস্ট চ্যাপ্টারের আহবায়ক অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘যেহেতু আদালত স্থগিত ঘোষণা করেছেন এবং আদালতের রায়ের প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যেহেতু আবেদন করেছেন, সেটির রায় আশা করি দ্রুতই দিবে চেম্বার জজ। এখন আমি বলতে পারতেছি না আগামীকাল নির্বাচন হবে কি না। এটি সম্পূর্ন নির্ভর করছে চেম্বার জজের রায়ের উপর। শিক্ষক ছাত্র ছাত্রী বিশেষ করে সিলেটবাসী এবং সাস্টের মঙ্গলের জন্য আদালত শাকসুর পক্ষে রেজাল্ট দিবে।’
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) নির্বাচন যথাসময়ে আয়োজনের দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন শিক্ষার্থীরা। এর অংশ হিসেবে সোমবার প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দেন তারা। এতে প্রায় ছয় ঘণ্টা ধরে নিজ নিজ কার্যালয়ে অবরুদ্ধ থাকেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি), উপ-উপাচার্য (প্রোভিসি), কোষাধ্যক্ষ ও রেজিস্ট্রারসহ প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে শিক্ষার্থীরা ‘প্রশাসনিক ভবন-১’-এ তালা ঝুলিয়ে দেন। একই সঙ্গে ২০ জানুয়ারি শাকসু নির্বাচনের দাবিতে বিক্ষোভ চালিয়ে যান তারা। পরে দুপুর সোয়া দুইটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে সিলেট–সুনামগঞ্জ মহাসড়ক অবরোধ করে আন্দোলনকারীরা।
সরেজমিনে দেখা যায়, বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলে ছিল। ফলে বেলা সাড়ে ১২টা থেকে বিকেল সাড়ে ৬টা পর্যন্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এম সরওয়ারউদ্দিন চৌধুরী, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সাজেদুল করিম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ইসমাইল হোসেন এবং রেজিস্ট্রার সৈয়দ ছলিম মোহাম্মদ আব্দুল কাদিরসহ ভবনে কর্মরত কর্মকর্তারা অবরুদ্ধ অবস্থায় ছিলেন। তবে প্রশাসনিক ভবনের অবরোধ কবে প্রত্যাহার করা হবে এ বিষয়ে শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
এর আগে শাকসু নির্বাচন আয়োজনে হাইকোর্টের দেওয়া স্থগিতাদেশের প্রতিবাদে রোববার (২০ জানুয়ারি) থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। তারা দ্রুত নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানিয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন স্থগিতের প্রতিবাদে সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কের অবরোধ প্রত্যাহার করে প্রশাসনের ভবন ঘেরাও করেছেন আন্দোলরত শিক্ষার্থীরা।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বিকেলে সাড়ে ৫ টার দিকে টানা তিন ঘন্টা সড়ক অবরোধের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলচত্বর ও প্রশাসনের ভবনের সামনে বিক্ষোভ করছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। এর আগে দুপুর সাড়ে ১২ টায় প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দেয় শিক্ষার্থীরা।
এরআগে দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়ক অবরোধ করেন আন্দোলনকারীরা। এতে করে দুই জেলার যোগাযোগের একমাত্র এই সড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। তবে শিক্ষার্থীরা যান চলাচলের জন্য সড়কের একটি লেন ছেড়ে দিলেও যানজট থেকে যায়। এসময় যানজটের ভোগান্তিতে পড়েন শ্রমজীবী মানুষ, রোগীসহ সাধারণ যাত্রীরা। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে সেনাবাহিনী ও পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে অবস্থান করে।
শিবির সমর্থিত দুর্বার সাস্টিয়ান ঐক্য প্যানেলের প্রার্থী দেলোয়োর হাসান শিশির জানান, হাইকোর্টের রায়ের মাধ্যমে আমাদের ছাত্র সংসদ নির্বাচন স্থগিত হওয়ার প্রতিবাদে আমরা সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়ক অবরোধ করেছিলাম তবে সাধারণ মানুষের ভোগান্তির কথা মাথায় রেখে আমরা সড়ক থেকে সরে এসে এবার ক্যাম্পাসের ভিতরে প্রশাসনিক ভবন ও গোল চত্বরে অবস্থান নিয়েছি। আমাদের দাবি একটাই আগামীকাল শাকসু চাই যদি না মানা পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে।
সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন স্থগিতের প্রতিবাদে চলমান সড়ক অবরোধের সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক থেকে বের হলে শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে পড়েন গণিত বিভাগের প্রধান ও জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক ড. আশরাফ উদ্দিন।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বিকেলে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ রায় প্রত্যাহারে দাবিতে সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়ক অবরোধ চলাকালে নিজ কাজ শেষে বাড়ি ফেরার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক থেকে বের হলে আন্দোলনস্থলে থাকা কিছু শিক্ষার্থী তাঁর উদ্দেশে ‘ভুয়া ভুয়া’, ‘দালাল দালাল’ স্লোগান দেন। এসময় তাকে কয়েকজন শিক্ষার্থী পাশের একটি দোকানে প্রবেশ করে সেখানে অবস্থান নেন।
পরে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের কয়েকজন এগিয়ে এসে তাঁকে নিরাপদে সরে যেতে সহায়তা করেন। এ সময় বড় ধরনের কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন স্থগিতের জন্য হাইকোর্টে রিট করা শিক্ষার্থী ভিপি প্রার্থী মমিনুর রশিদ শুভকে বিশ্ববিদ্যালয়ে অবাঞ্চিত ঘোষণা করেছেন শিক্ষার্থীরা।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বিকেলে হাইকোর্ট চার সপ্তাহের জন্য নির্বাচন স্থগিত ঘোষণার পরই এমন সিদ্ধান্তের কথা জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাথীরা।
বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সালেহ মো. নাসিম বলেন, যার রিটের প্রেক্ষিতে আমাদের বহুল প্রতীক্ষিত শাকসু নির্বাচন স্থগিত হয়েছে তাকে আমরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করেছি। সে নিজে একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী ভিপি প্রার্থী হয়ে একটি রাজনৈতিক দলের পক্ষে গিয়ে আমাদের ২৮ বছর পর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া শাকসু নির্বাচন স্থগিত করেছে আমরা তাকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করছি।
সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন চার সপ্তাহ স্থগিত করে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশের বিরুদ্ধে আবেদন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। আবেদনে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত চাওয়া হয়েছে।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বিকেলে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে এ আবেদন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. সাদ্দাম হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, যথাসময়ে এই আবেদনের ওপর শুনানি হবে।
এর আগে দুপুরে সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন চার সপ্তাহের জন্য স্থগিত করেন হাইকোর্ট। আগামীকাল ২০ জানুয়ারি শাকসু নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।
বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি আসিফ হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম, ব্যারিস্টার মনিরুজ্জামান আসাদ। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসাইন লিপু। সঙ্গে ছিলেন অ্যাডভোকেট মো. সাদ্দাম হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক।
পরে ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম গণমাধ্যমকে বলেন, নির্বাচন কমিশন শাকসু নির্বাচনের যে অনুমোদন দিয়েছিলেন তা চার সপ্তাহের জন্য হাইকোর্ট স্থগিত করেছেন। এর ফলে আগামীকাল শাকসু নির্বাচন হবে না। চার সপ্তাহ পর যেকোনো দিন শাকসু নির্বাচন হতে পারে।
গতকাল সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়।
শাকসু নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মমিনুর রশিদ শুভসহ তিন শিক্ষার্থী হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ রিট দায়ের করেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ সংশ্লিষ্টদের রিটে বিবাদী করা হয়েছে।
রিটে বলা হয়েছে, নির্বাচন কমিশন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে সবধরনের নির্বাচন বন্ধ রাখার নির্দেশনা জারি করেছে। এ অবস্থায় শাকসু নির্বাচন হতে দেওয়া আইনসংগত নয়।
সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) নির্বাচন হাইকোর্ট স্থগিত করার প্রতিবাদে সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়ক অবরোধ করেছেন শিক্ষার্থীরা। এতে করে সড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়ক অবরোধ করেন আন্দোলনকারীরা। এতে করে দুই জেলার যোগাযোগের একমাত্র এই সড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। তবে শিক্ষার্থীরা যান চলাচলের জন্য সড়কের একটি লেন ছেড়ে দিলেও যানজট রয়ে গিয়েছে। এসময় যানজটের ভোগান্তিতে পড়েন শ্রমজীবী মানুষ, রোগীসহ সাধারণ যাত্রীরা। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে সেনাবাহিনী ও পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে অবস্থান করছেন।
সুনামগঞ্জ থেকে সিলেট আসা যাত্রী আব্দুল মালেক বলেন, ‘আমি ৪০ মিনিট ধরেই রাস্তায় আছি। জরুরি কাজে সিলেটে আসছিলাম, কিন্তু অবরোধের কারণে গাড়ি এক জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে। শিক্ষার্থীদের দাবি থাকতে পারে, কিন্তু সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের কথাও তো ভাবতে হবে।’
একই সড়কে আটকে পড়া আরেক যাত্রী তানিয়া বেগম বলেন, এরকম অবরোধ হবে জানলে আমি আসতাম না। আমার জিন্দাবাজার কাজ ছিল সেজন্য এখানে এসেছিলাম এখন সিএনজিতে বসে আছি কবে নাগাদ গন্তব্যে পৌছাতে পারব সেটাও জানিও না।
শিবির সমর্থিত দুর্বার সাস্টিয়ান ঐক্য প্যানেলের প্রার্থী দেলয়োর হাসান শিশির জানান, শাকসু নির্বাচন দীর্ঘদিন পর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এ অবস্থায় নির্বাচন স্থগিত করায় তারা ক্ষুব্ধ। দ্রুত নির্বাচন নিশ্চিত করার দাবিতে তারা এই কর্মসূচি পালন করছেন।
সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট।
এ সংক্রান্ত এক রিটের শুনানি শেষে সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে এ আদেশ দেন হাইকোর্ট।
এদিন হাইকোর্টের বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে এদিন রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম, ব্যারিস্টার মনিরুজ্জামান আসাদ। আর বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসাইন লিপু। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক।
এদিকে এ রায়ের পরই সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) নির্বাচন স্থগিত করায় সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। এর আগে প্রশাসনিক ভবনে তালা দিয়ে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করেন প্রার্থী ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) নির্বাচন স্থগিত চেয়ে করা রিটের বিরুদ্ধে এবার সড়ক অবরোধ করেছেন শিক্ষার্থীরা। এর আগে প্রশাসনিক ভবনে তালা দিয়ে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করেন প্রার্থী ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুর ২ টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক থেকে বের হয়ে সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়ক অবরোধ করেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। এসময় শাকসু নির্বাচনে ছাত্রশিবির-সমর্থিত ‘দুর্বার সাস্টিয়ান ঐক্য’, ‘সাধারণের ঐক্যস্বর’ প্যানেল এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা অংশ নেন।
বিক্ষোভ চলাকালে শিক্ষার্থীরা ‘শাকসু আমার অধিকার, রুখে দেওয়ার সাধ্য কার’, ‘শাকসু কয় তারিখ, ২০ তারিখ’, ‘শহীদ রুদ্র শিখিয়ে গেছে, লড়াই করে বাঁচতে হবে’, ‘মব করে শাকসু, বন্ধ করা যাবে না’ এ ধরনের নানা স্লোগান দেন। পাশাপাশি তাঁরা আগামীকাল মঙ্গলবার নির্ধারিত সময়েই শাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবি জানান।
শিবির সমর্থিত দুর্বার সাস্টিয়ান ঐক্য প্যানেলের প্রার্থী দেলয়োর হাসান শিশির বলেন, আমরা আমাদের অধিকার চাইতেই সবাই একত্রিত হয়েছি। আগামীকাল নির্বাচন তার মধ্যেই একটি দল শাকসু বানচাল করতে হাইকোর্টে রিট করেছে, যেখানে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন আমাদের এ নির্বাচন করার অনুমতি দিয়েছে সেখানে তারা চাচ্ছে না ছাত্র শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ের নির্বাচন হোক।
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ-শাকসু নির্বাচনের কমিশন থেকে বিএনপিপন্থী আটজন শিক্ষক পদত্যাগ করেছেন।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক আশরাফ উদ্দিন সোমবার সংবাদ সম্মেলনে জানান, তারা নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করছেন না।
সোমবার বেলা ১২টায় নতুন সামাজিক বিজ্ঞান ভবনের নিচ তলায় সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘আমাদের আটজন শিক্ষক নির্বাচন কমিশন থেকে পদত্যাগ করেছে। আমরা নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করছি না। আমরা আহ্বান জানাবো, অন্যরাও যাতে দায়িত্ব পালন না করেন।’
অধ্যাপক আশরাফ উদ্দিন বলেন, ‘আমরা প্রশাসনের আচরণে বিব্রত বোধ করছি। ভাইস চ্যান্সেলরকেও জানিয়েছি এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন করবে কি-না।’
শাকসু নির্বাচন কমিশনের মুখপাত্র অধ্যাপক মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘আট জন শিক্ষক পদত্যাগ করেছে শুনেছি। এখনো কোনো অফিসিয়াল ডকুমেন্টস পায়নি। তবে আমাদের নির্বাচনের স্বাভাবিক কার্যক্রম চলমান আছে।’
সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) নির্বাচন স্থগিত চেয়ে করা রিটের বিরুদ্ধে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করছেন প্রার্থী ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা। প্রশাসনিক ভবনে তালা দিয়ে আন্দোলন করছেন তারা।
একই সঙ্গে শাকসু নির্বাচনসহ তিনটি ইস্যুতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) প্রধান কার্যালয়ের সামনে গতকাল রোববার কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের অবস্থান কর্মসূচির বিরুদ্ধেও প্রতিবাদ জানিয়েছেন তাঁরা।
আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল সোয়া ১০টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলচত্বরে এ বিক্ষোভ শুরু হয়। বিক্ষোভ মিছিলে শাকসু নির্বাচনে ছাত্রশিবির-সমর্থিত ‘দুর্বার সাস্টিয়ান ঐক্য’, ‘সাধারণের ঐক্যস্বর’ প্যানেল এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা অংশ নেন।
বিক্ষোভ চলাকালে শিক্ষার্থীরা ‘শাকসু আমার অধিকার, রুখে দেওয়ার সাধ্য কার’, ‘শাকসু কয় তারিখ, ২০ তারিখ’, ‘শহীদ রুদ্র শিখিয়ে গেছে, লড়াই করে বাঁচতে হবে’, ‘মব করে শাকসু, বন্ধ করা যাবে না’—এ ধরনের নানা স্লোগান দেন। পাশাপাশি তাঁরা আগামীকাল মঙ্গলবার নির্ধারিত সময়েই শাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবি জানান।
উল্লেখ্য, দীর্ঘ ২৮ বছর পর আগামীকাল মঙ্গলবার শাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। ভোট গ্রহণ শুরু হবে সকাল ৯টায় এবং চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।
সিলেট, শাকসু, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, হাইকোর্ট