কানাইঘাটে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু
দৈনন্দিন
প্রকাশঃ ৪ নভেম্বর, ২০২৫ ৭:১৫ অপরাহ্ন
সিলেটের ওসমানীনগরে উজ্জ্বল বনিক (৪৫) নামে এক স্বর্ণের কারিগরের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার তাজপুর বাজারের স্কুল রোডের শ্রী গোবিন্দ জুয়েলার্স থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত উজ্জ্বল বনিক হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার মারকুলি বাজারের কানু বনিকের ছেলে। গত দুই বছর ধরে তিনি সন্তোষ চক্রবর্তীর মালিকানাধীন ওই জুয়েলার্স দোকানে স্বর্ণের কারিগর হিসেবে কাজ করছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাতের খাবার শেষে ভেতর থেকে দরজা লাগিয়ে দোকানেই ঘুমিয়ে পরেন উজ্জ্বল। পরদিন মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে দোকান মালিকের ছেলে সন্তোষ চক্রবর্তী দোকান খুলতে এসে তাকে ডাকাডাকি করেও কোনো সারা পাননি তিনি। পরে বাড়িতে থাকা অন্য আরেকটি চাবি নিয়ে এসে আশেপাশের দোকানের মালিক ও উজ্জ্বলের এক বন্ধুকে সাথে নিয়ে দোকান খুলেন তিনি। এ সময় খাটের উপর উজ্জ্বলের মরদেহ দেখতে পান তারা।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ওসমানীনগর থানা পুলিশ। পরে বিকেল ৩টার দিকে নিহতের স্বজন ও দোকান মালিককে সঙ্গে নিয়ে সুরতহাল শেষে মরদেহটি ময়না তদন্তের জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
নিহতের চাচাতো ভাই সমিরন বনিক বলেন, প্রথমে জানতে পারি আমার চাচাতো ভাই অসুস্থ, পরে শুনলাম মারা গেছে। এই খবর পেয়ে আসলাম। মরদেহ উদ্ধারের সময় তার গায়ে আঘাতের কোনো চিহ্ন পায়নি পুলিশ। ময়না তদন্তে কোনো কিছু পাওয়া গেলে দেখা যাবে।
দোকানের মালিক সন্তোষ চক্রবর্তী বলেন, প্রতিদিনের মত রাতে দোকানে ঘুমিয়েছিলেন উজ্জ্বল বনিক। সকালে দোকানে এসে ডাকাডাকি করে কোন সারাশব্দ পাইনি। এমতাবস্থায় আমার বাড়িতে থাকা আরেকটি চাবি দিয়ে দোকান খুলে দেখি মারা গেছেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ওসমানীনগর থানার এসআই আশীষ তালুকদার বলেন, লাশের সুরতহালে শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ময়না তদন্তের রিপোর্ট পাওয়া গেলে মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে।
ওসমানীনগর, স্বর্ণের কারিগর, উজ্জ্বল বনিক, তাজপুর বাজার, সিলেট পুলিশ