৩০ জুলাই ২০২৬

দৈনন্দিন

ক্ষতিগ্রস্ত সব প্রতিষ্ঠানকে পুনর্বাসনের পাশাপাশি ক্ষতিপূরণও নিশ্চিত করা হবে: জি কে গউছ

প্রতিনিধি, হবিগঞ্জ

প্রকাশঃ ৩০ জুলাই, ২০২৬ ৯:০৭ অপরাহ্ন


জাতীয় সংসদের হুইপ ও হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ জি কে গউছ বলেছেন, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ৬ লেন নির্মাণে ক্ষতিগ্রস্ত সব ধর্মীয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে যথাযথভাবে পুনর্বাসন করা হবে। পাশাপাশি আইন অনুযায়ী ক্ষতিপূরণও নিশ্চিত করা হবে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরে হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার কল্যাণপুর এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ৬ লেন নির্মাণ প্রকল্পের কাজ নিয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

জানা গেছে, ৬ লেন নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় কল্যাণপুর এলাকায় একটি মন্দির, দুটি মসজিদ, একটি কবরস্থান, একটি শ্মশান এবং একটি মাদ্রাসার জায়গা অধিগ্রহণ করা হয়। তবে নকশা পরিবর্তনের দাবিতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষ থেকে জায়গা ছাড়তে অনীহা প্রকাশ করায় দীর্ঘদিন ধরে ওই অংশের নির্মাণকাজ বন্ধ ছিল।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিগত আওয়ামী লীগ সরকার এবং পরবর্তী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট বিভাগ একাধিকবার সমস্যার সমাধানের উদ্যোগ নিলেও তা সফল হয়নি।

পরে জাতীয় সংসদের হুইপ জি কে গউছ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে সংশ্লিষ্ট ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা শুরু করেন। এর ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং ইসকন, রামকৃষ্ণ মিশন, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্ট, পূজা উদযাপন পরিষদ, মসজিদ ও মাদ্রাসা কমিটির নেতৃবৃন্দ, মহাসড়ক নির্মাণ প্রকল্পের কর্মকর্তা এবং প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিয়ে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।

সভায় জি কে গউছ বলেন, দেশের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। ক্ষতিগ্রস্ত ধর্মীয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর পুনর্বাসন এবং ক্ষতিপূরণের বিষয়টি সরকার গুরুত্বের সঙ্গে দেখবে এবং আইন অনুযায়ী সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।

তার এই আশ্বাসের পর উপস্থিত ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা মহাসড়ক নির্মাণকাজে সহযোগিতা করতে সম্মতি জানান। এর ফলে দীর্ঘদিনের অচলাবস্থার অবসান ঘটে এবং প্রকল্পের কাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার পথ সুগম হয়।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন বাহুবল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উজ্জল রায়, মহাসড়ক নির্মাণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক সৈয়দ গিয়াস উদ্দিন, সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের হবিগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী জাকির হোসেন, বাহুবল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রুহুল আমিন তালুকদার, রামকৃষ্ণ মিশনের মহারাজ স্বামী বেদমায়া নন্দজী, ইসকনের অধ্যক্ষ উদয় গৌর ব্রহ্মচারী, মসজিদ ও মাদ্রাসা কমিটির সভাপতি মোতাহের হোসেন, অ্যাডভোকেট ত্রিলোক কান্তি চৌধুরী বিজন, অ্যাডভোকেট স্বরাজ বিশ্বাস, অ্যাডভোকেট অহিন্দ্র দত্ত, শংকর পাল, সুখলাল সূত্রধর, অ্যাডভোকেট মিঠু গোপসহ বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের নেতৃবৃন্দ।


শেয়ার করুনঃ

দৈনন্দিন থেকে আরো পড়ুন

জি কে গউছ, ঢাকা-সিলেট ৬ লেন প্রকল্প, বাহুবল, কল্যাণপুর, পুনর্বাসন, ক্ষতিপূরণ, মহাসড়ক নির্মাণ

আরো পড়ুনঃ

আরো পড়ুনঃ