১২ জুন ২০২৬

দৈনন্দিন

সাদা পাথর লুট

প্রভাবমুক্ত থেকে গোপনীয়তা বজায় রেখে কাজ করছে কমিটি: মন্ত্রীপরিষদ সচিব

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশঃ ২৭ আগস্ট, ২০২৫ ৫:৫৫ অপরাহ্ন


সাদা পাথর লুটপাটের ঘটনায় রাষ্ট্রের দেয়া  গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে যেন কোনো ধরনের প্রভাব না পড়ে সেজন্য সকল বিষয় গোপনীয় রেখেই সতর্কতার সঙ্গে তাদের দায়িত্ব পালন করবে বলে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের গঠিত উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি।
 
বুধবার (২৭ আগস্ট) গণশুনানি শেষে বিকেল সাড়ে ৩টায় সার্কিট হাউজের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক ও মন্ত্রিপরিষদ সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) জাহেদা পারভীন। 

তিনি বলেন, ‘পাথর লুট ইস্যুতে সিলেটে দুই দিন অবস্থান করে এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের মতামত ও তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করা হয়েছে। সংগ্রহীত এসব তথ্য উপাত্ত আমলে নিয়ে বিশ্লেষণ করে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘রাষ্ট্রের দেয়া এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে যেন কোনো ধরনের প্রভাব না পড়ে সেজন্য সকল বিষয় গোপনীয় রেখেই সতর্কতার সঙ্গে তাদের দায়িত্ব পালন করা হবে।’

ভোলাগঞ্জের সাদাপাথর পর্যটন কেন্দ্র ও রেলওয়ে বাংকার এলাকায় অবৈধভাবে পাথর উত্তোলনের ফলে পরিবেশ ও নান্দনিকতা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বুধবার সকাল থেকে গণশুনানি শুরু করে মন্ত্রীপরিষদ বিভাগের গঠিত তদন্ত কমিটি।

সিলেট সার্কিট হাউসে আয়োজিত এই শুনানিতে আলাদা আলাদা ভাবে প্রশাসনের কর্মকর্তা, পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, পরিবেশবাদী সংগঠন, ট্রাক পরিবহন মালিক সমিতি ও পাথর ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দের বক্তব্যগ্রহণ করা হয়। এসময় প্রেসক্লাব নেতারাও অংশ নিয়ে নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরেন।

গণশুনানি শেষে তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক ও মন্ত্রিপরিষদ সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) জাহেদা পারভীন সাংবাদিকদের আরও বলেন, আমরা দুটো বিষয়কে সামনে রেখে কাজ করছি। প্রথমটি কারা এই ঘটনায় জড়িত, কার কি দায় আছে। আর দ্বিতীয়টি ভবিষ্যতে এমন ঘটনা রোধে আমাদের প্রস্তাবনা। 

এর আগে গতকাল মঙ্গলবার তদন্ত কমিটি সরেজমিনে ভোলাগঞ্জ সাদাপাথর এলাকা পরিদর্শন করে। গত ২০ আগস্ট মন্ত্রীপরিষদ বিভাগের পক্ষ থেকে উচ্চ পর্যায়ের এই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

উল্লেখ্য, সাদা পাথর লুটের ঘটনায় ইতোমধ্যে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) প্রাথমিক তদন্ত করে ৫৩ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের জড়িত থাকার কথা উল্লেখ করে একটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসনসহ বিভিন্ন সরকারি সংস্থার নিষ্ক্রিয়তা ও যোগসাজশ ছিল। দুদকের প্রতিবেদনে বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি), উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও ওসিসহ মোট ৫৩ জনের সম্পৃক্ততার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তাদের মধ্যে রাজনৈতিক নেতা ও ব্যবসায়ী রয়েছেন ৪২ জন।


শেয়ার করুনঃ

দৈনন্দিন থেকে আরো পড়ুন

সিলেট, সাদা পাথর, তদন্ত কমিটি, মন্ত্রীপরিষদ

আরো পড়ুনঃ

আরো পড়ুনঃ