১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

প্রাণ-প্রকৃতি-পরিবেশ / পরিবেশ

গোলটেবিল বৈঠক: বিশ্ব পরিবেশ দিবস

‘সিলেট নগরীর প্লাস্টিক দূষণ রোধে প্রয়োজন জনসচেতনতা’

ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা) ও সিলেট ভয়েসের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত 'প্লাস্টিক দূষণ ও নগর সিলেট' শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের প্রতিক্রিয়া

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশঃ ৪ জুন, ২০২৫ ৩:৩৫ পূর্বাহ্ন

ছবিঃ প্লাস্টিক দূষণ ও নগর সিলেট শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক।

সিলেট নগরীতে প্লাস্টিক বর্জ্য দিন দিন ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। ছড়া, খাল, নদী এবং ড্রেনেজ ব্যবস্থায় জমে থাকা প্লাস্টিকের কারণে যেমন জলাবদ্ধতা বাড়ছে, তেমনি পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যেও দেখা দিচ্ছে মারাত্মক হুমকি। এই সংকট মোকাবেলায় শুধু পরিকল্পনা নয়, প্রয়োজন কঠোর আইন প্রয়োগ, কার্যকর নীতিমালা এবং সর্বস্তরে জনসচেতনতা।


মঙ্গলবার (৩ জুন) রাতে নগরীর এক আয়োজনে ‘প্লাস্টিক দূষণ ও নগর সিলেট’ শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে পরিবেশ ও নগর বিশেষজ্ঞ, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি, পরিবেশ অধিদপ্তর ও সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তারা এই আহবান জানান।


গোলটেবিল বৈঠকটি যৌথভাবে আয়োজন করে পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক নাগরিক সংগঠন ‘ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা)’ এবং দেশের প্রথম হাইপারলোকাল গণমাধ্যম ‘সিলেট ভয়েস’। আগামী ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এ বৈঠকে প্লাস্টিক দূষণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন এবং রিসাইক্লিংয়ের নানা দিক তুলে ধরা হয়।


বক্তারা সিলেট নগরীর প্রাকৃতিক ছড়া ও সুরমা নদীর তলদেশ ভরাটের কারণে অতিবৃষ্টিতে জলাবদ্ধতার জন্য ক্রমবর্ধমান প্লাস্টিক দূষণ ও বর্জ্যের অব্যবস্থাপনাকে দায়ী করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে একটি কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার জন্য পরিবেশ অধিদপ্তর ও সিলেট সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষকে আহবান জানান।


বৈঠকে পরিবেশ অধিদপ্তর ও সিলেট সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তারা প্লাস্টিক দূষণ রোধে সরকারের সদিচ্ছার কথা জানান এবং এ লক্ষ্যে গৃহিত সাম্প্রতিক কার্যক্রম ও ভবিষ্যত পরিকল্পনা ব্যক্ত করে নাগরিক সমাজকে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে আরো কার্যকরভাবে অংশগ্রহণের জন্য আহবান জানান।


ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা) সিলেটের আহবায়ক ডা. মোস্তফা শাহজামান চৌধুরীর সভাপতিত্বে গোলটেবিল বৈঠকে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সিলেট ভয়েসের প্রকাশক সেলীনা চৌধুরী ও ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা) সিলেটের সদস্য সচিব আব্দুল করিম কিম। বৈঠকে আলোচ্য বিষয়ের উপর তথ্য উপস্থাপন ও বৈঠক সঞ্চালনা করেন সিলেট ভয়েসের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক দ্বোহা চৌধুরী।


বৈঠকে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. নাজিয়া চৌধুরী বলেন, ‘প্রকৃতিতে এই প্লাস্টিকগুলো আসে কোথা থেকে? কারণ জনসচেতনতা নেই। এখন আমরা দেখি গরম চা-খাবার দেয়া হচ্ছে প্লাস্টিকের কাপে-বক্সে। এখানে গরমে প্লাস্টিক গলে খাবারে মিশছে। ক্যান্সার-কার্ডিওভাসকুলার ডিসিসের মতো রোগ হচ্ছে প্লাস্টিকের কারণে। এটি একটি নীরব মহামারি। সিগারেট যেমন ক্ষতি করে, প্লাস্টিকও তেমন ক্ষতি করে। সিগারেটের মতো একটা লাইন প্রচারে আনতে পারি যে প্লাস্টিক ব্যবহার স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।’


শাবিপ্রবির পুর ও পরিবেশ কৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. বিজিত কুমার বণিক বলেন, ‘অনেক সময় আমরা দেখি প্লাস্টিক জড়ো করে উন্মুক্তভাবে পুড়িয়ে দেয়া হয়, এটি কিন্তু মারাত্মক দূষণ। এখান থেকে ডায়োক্সিন, ফিউরানের মতো বিষাক্ত গ্যাস উৎপন্ন হয়, এরা হচ্ছে কার্সিনোজেনিক অর্থাৎ ক্যান্সার উৎপন্ন করে। এই গ্যাসগুলো আবার বায়ুমণ্ডলে দীর্ঘদিন ধরে থাকে। প্লাস্টিক দূষণের মাধ্যমে বায়োএকুমুলেশন হচ্ছে। পানি থেকে মাইক্রোপ্লাস্টিক ফাইটোপ্ল্যাঙ্কটন নিচ্ছে, তাকে খাচ্ছে ছোট মাছ, সেই ছোটমাছকে খাচ্ছে বড় মাছ, সেখান থেকে আমরা মাছ খাচ্ছি। এভাবে বায়োএকুমুলেশন হচ্ছে।’


সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব:) মোহাম্মদ একলিম আবদীন বলেন, ‘আমরা আমরা বলি সেকেন্ড লন্ডন, কিন্তু কার্যক্ষেত্রে তা করতে পারিনি। সিলেট নগরীতে দৈনিক বর্জ্য উৎপাদন হয় প্রায় ৪৭৫ টন, যার মধ্যে আমরা সংগ্রহ করতে পারি ২৪৫ টন। বর্জ্যের বড় একটা অংশ চলে যাচ্ছে ছড়া-খালে। আমাদের মূল ফোকাস করা উচিত, সেটা হচ্ছে সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিক। সিটি কর্পোরেশনের তত্ত্বাবধানে যদি এই প্লাস্টিক বর্জ্যকে ভ্যালু চেইনের মধ্যে নিয়ে আসা যায়, তাহলে এটা একটা বিজনেস মডেল হিসেবে দাড়াবে এবং ফলপ্রসূ হবে।’


তিনি বলেন, ‘লাফার্জ-হোলসিম ও সিটি কর্পোরেশন যৌথভাবে একটি ম্যাটেরিয়াল রিকভারি ফ্যাসিলিটি করা হয়েছে। এই মুহূর্তে ১২০-১৫০ টন বর্জ্য এর মধ্যে প্রসেস করা হয় এবং এর মধ্যে ৩৫-৪০ টন প্লাস্টিক বর্জ্য লাফার্জ নিয়ে যায় এবং তাদের চুল্লীতে পুড়িয়ে ফেলছে। এই পরিমাণটা বাড়ানো যাচ্ছে না ভেজা বর্জ্যের কারণে। এ কারণে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে বায়োড্রায়িংয়ের চিন্তা করা হচ্ছে, এতে আরো বেশি প্লাস্টিক বর্জ্য প্রসেস করা যাবে।’


পরিবেশ অধিদপ্তর সিলেটের পরিচালক মো. ফেরদৌস আনোয়ার বলেন, ‌‌‘২০০২ সাল থেকে প্লাস্টিক আইনগতভাবে বন্ধ এবং এর আইনগত দায়ভার পরিবেশ অধিদপ্তরের। বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপনের মাধ্যমে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য বেশ কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়, কিন্তু ২০০২ সাল থেকে আজ পর্যন্ত একটি জেনারেশন আমরা গড়ে তুলতে পারিনি। এই বিষয়টি নিয়ে একটি গবেষণা প্রয়োজন, এটার পিছনে সাইকোলজিটা কী।’ 


তিনি বলেন, ‘একটা বিষয় বলা হয় যে পলিথিনের কারখানা বন্ধ করে দিলেই হয়। কিন্তু আমরা ২০০২ সাল থেকে চেষ্টা করেও হচ্ছে না, কারণ এই ধরণের কারখানা পুরাতন ঢাকার এত ছোট ছোট ঘরে যে খুঁজে পাওয়া যায় না। আর পলিথিনের একটি সাইকোলজি সৃষ্টি হয়ে গেছে যে সবকিছুতেই পলিথিন ব্যবহার করা হচ্ছে। তবে ধীরে ধীরে পরিবর্তন আসছে, পলিথিন-মাইক্রোপ্লাস্টিক ক্ষতিকর, এটা মানুষ বুঝতে পারছে।’


মদনমোহন কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও রোটারি ইন্টারন্যাশনালের পাস্ট কান্ট্রি গভর্নর লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব:) আতাউর রহমান পীর বলেন, ‘আমরা প্লাস্টিকের ব্যাগ ব্যবহার করি, কিন্তু কারখানাগুলো কীভাবে বানায়? সরকার জানে কারখানা কোথায়। সেগুলো সিলগালা করে দিলেইতো আমাদের হাতে আর প্লাস্টিক ব্যাগ আসবে না। তখন আমাদের গোল্ডেন ট্রেজার পাট ব্যবহার করবো। আগে বিভিন্ন পানীয় কাঁচের বোতলে কিনতাম, বোতল ফেরত দিলে টাকা দিতো। সরকার চাইলে পানির বোতলের জন্য এমন আইন করতে পারে। তবে সবার আগে প্রয়োজন জনসচেতনতা বৃদ্ধি।’


কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদের সাধারণ সম্পাদক ও লেখক সেলিম আউয়াল বলেন, ‘আমি আম্বরখানায় বেড়ে উঠেছি। ছোটবেলায় ছড়ায় স্বচ্ছ পানি আর মাছ দেখেছি। এখন আর সেই খালও নেই, স্বচ্ছ পানিও নেই। পাবলিক প্লেসে ধুমপান করা যায় না, সিগারেটের বিজ্ঞাপন দেয়া যায় না, অপ্রাপ্তবয়স্কদের কাছে বিক্রি নিষিদ্ধ– এসবই হয়েছে আইনের প্রয়োগের মাধ্যমে। প্লাস্টিকের ব্যাপারেও আইন প্রয়োগ করতে হবে, জনসচেতনতা বাড়াতে হবে।’


বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) সিলেট বিভাগীয় সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট শাহ সাহেদা আক্তার বলেন, ‘২০২৩ সাল থেকে বেলা সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছে, প্লাস্টিকের ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে ভিডিও প্রদর্শন করছে। ২০১৮ সালে সিটি কর্পোরেশনের কাছে আমরা প্রস্তাব রেখেছিলাম যে প্রতিটি পাড়ায় যেসব সংগঠন আছে, তাদের মধ্যে পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য পুরষ্কার এবং ব্যর্থতার জন্য তিরস্কার করা। কিন্তু এ প্রস্তাব পাত্তা দেয়া হয়নি।‌‌’


শাবিপ্রবি’র স্থাপত্য বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. কৌশিক সাহা বলেন, ‌‌‌‌‌‌‌’স্টোন এজে সভ্যতা শুরু হয়ে ব্রোঞ্জ এজ হয়ে এখন প্লাস্টিক এজে পৌঁছেছি আমরা। ‌‌‌‌এখন আমরা সার্কুলার ইকোনমির কথা বলছি, কোনকিছুই আর বর্জ্য বলার সুযোগ নেই, বর্জ্যকে সম্পদে নিয়ে যেতে হবে। যখনই বর্জ্যের অর্থনৈতিক মূল্য থাকবে, তখন আর তা বর্জ্য হবে না। প্লাস্টিকের ক্ষেত্রে রিসাইক্লিংয়ের বিকল্প নেই। এ জন্য ওয়ার্ড পর্যায়ে কমিউনিটি বেজড প্ল্যানিংয়ে যেতে হবে, ইনফর্মাল সেক্টর বিশেষ করে ভাঙ্গারী-পথশিশুদের গুরুত্ব দিতে হবে।’


লেখক-সাংবাদিক উজ্জ্বল মেহেদী বলেন, ‘পিঠ যখন দেয়ালে ঠেকে গেছে, তখন আমরা আলোচনায় বসেছি। নগরীর একটি নির্দিষ্ট স্থানকে সিসিটিভির আওতায় এনে প্লাস্টিকমুক্ত করা যায়। যারা আইন ভাঙছেন, তাদেরকে শাস্তি এবং যারা ভালো করছেন তাদের পুরষ্কৃত করার মাধ্যমে একটি মডেল তৈরি করা যেতে পারে।’


পরিবেশ ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি অ্যাডভোকেট গোলাম সোবহান চৌধুরী বলেন, ‘নগরীতে জলাবদ্ধতা ব্যাপকভাবে বাড়ছে গত এক দশকে। বক্স কালভার্ট নির্মাণ করা হয়েছে, ফলে ভিতরে পরিষ্কার করা যাচ্ছে না, প্লাস্টিক বর্জ্য জমে জলাবদ্ধতা বাড়াচ্ছে। সুরমা নদী শুকানে টন টন প্লাস্টিক দেখা যায় তলদেশে। যে চিত্র আমরা দেখছি, তা ভয়াবহ। আইন আছে, কিন্তু এর প্রয়োগ যদি না হয়, তাহলে সমাধান হবে না।’


ইকোলাইনারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রেজাউল কিবরিয়া বলেন, ‘আমরা কী কখনো হিসেব করে দেখেছ আমাদের ব্যবহার্য জিনিসের মধ্যে কত ধরণের প্লাস্টিক আছে? ৭ ধরণের প্লাস্টিক আছে যার মধ্যে কিছু রিসাইক্লিং যোগ্য। সেসবের নতুন প্রজন্মকে জানাতে হবে। এখন একটা জেনারেশন তৈরি করতে হবে, সমন্বিতভাবে যদি আমরা বিদ্যালয়ে ঢুকতে পারি, বাচ্চাদেরকে প্লাস্টিকের প্রভাব নিয়ে শিক্ষিত করতে হবে।’


ক্লিন সিটি সিলেটের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি নাজিব আহমেদ বলেন, ‘আমরা আসলে অসচেতনভাবে নগরীতে বসবাস করছি, ময়লা-আবর্জনা ফেলার ব্যাপারে আমাদের চিন্তা থাকে কীভাবে এটা নদী-নালাতে ফেলতে পারি। প্রতি ওয়ার্ডে ময়লা সংগ্রহের ভ্যান গাড়ির ৫০-১০০ টাকা দেয়ার ব্যাপারেও দেখা যায় এই টাকা বাচিয়ে ময়লা যেখানে সেখানে ফেলা। প্রত্যেককে সচেতন হবে, নাহলে সিটি কর্পোরেশন বা কারো একার পক্ষে সম্ভব নয়। সবাইকে সম্মিলিতভাবে করতে হবে।’


বৈঠকের শুরুতে শুভেচ্ছা বক্তব্যে ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা) সিলেটের সদস্য সচিব আব্দুল করিম কিম বলেন, ‌‌‘আমরা প্রত্যাশা করি আইনের সর্বোচ্চ ব্যবহারের এবং সেটা দেখে যারা পরিবেশ দূষণ করি তারা সচেতন হবো। পরিবেশের কাজ বলতে অনেকেই গাছ লাগানো মনে করেন। কিন্তু পরিবেশ আন্দোলনে এসে দেখেছি সবাই গাছ লাগায়, কিন্তু বড় গাছ কেউ রক্ষা করে না। সিলেট মহানগরীকে আমরা বৃক্ষশুণ্য করেছি। প্লাস্টিক দূষণের ব্যাপারটাও তেমন। নগরীর পরিবেশ রক্ষায় সবার কথা বলার প্রয়োজন আর এ জন্য এই গোলটেবিল বৈঠক।’

 

সিলেট ভয়েসের প্রকাশক সেলীনা চৌধুরী বলেন, ‘সিলেট পূর্ণভূমি ও পরিচ্ছন্ন নগরী হিসেবে পরিচিত। কিন্তু ধীরে ধীরে লক্ষ্য করছি যে সিলেটের পরিবেশের ভারসাম্য বিপর্যয়ের দিকে যাচ্ছে। আজকে সিলেটের সচেতন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা এক হয়েছি প্লাস্টিক দূষণ বিষয়ে আলোচনা করতে। আমাদের নগরীকে রক্ষায় করার জন্য আমাদের প্রত্যেকের উচিত একসাথে হয়ে কাজ করে সিলেটকে সমৃদ্ধির দিকে নিয়ে যাবো।’


সভাপতির বক্তব্যে ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা) সিলেটের আহবায়ক ডা. মোস্তফা শাহজামান চৌধুরী বলেন, ‘আমরা যদি ১০০জন শিক্ষার্থীকে মোটিভেট করতে পারি, তাহলে এই সংখ্যা দ্রুতই হাজার ছাড়াবে। এছাড়াও সিলেট নগরী দোকানের নগরীতে রুপান্তরিত হয়েছে। এসকল দোকানকে মোটিভেট করার উদ্যোগ নিতে হবে প্লাস্টিক ব্যবহার বন্ধে। আমরা হয়তো এর সুফল পাবো না, কিন্তু আমাদের পরবর্তি প্রজন্ম পাবে।’


শেয়ার করুনঃ

প্রাণ-প্রকৃতি-পরিবেশ থেকে আরো পড়ুন

সিলেট, প্লাস্টিক দূষণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, সিলেট সিটি কর্পোরেশন, পরিবেশ দূষণ, জলাবদ্ধতা, রিসাইক্লিং, পরিবেশ অধিদপ্তর, বিশ্ব পরিবেশ দিবস,

আরো পড়ুনঃ

আরো পড়ুনঃ