
সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে মদনপুর থেকে চলমান দিরাই–শাল্লা–জলসুখা–আজমিরীগঞ্জ মহাসড়ক নির্মাণে একাধিক ব্যক্তির জমি ব্যবহৃত হলেও সেসব জমি অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়নি। এতে ক্ষতিগ্রস্ত মালিকরা ন্যায্য ক্ষতিপূরণ থেকে বঞ্চিত হয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন।
মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দিরাই উপজেলার সরমঙ্গল ইউনিয়নের ধনপুর ও চন্ডিপুর এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, কোথাও চলছে সেতুর পাইলিং, আবার কোথাও চলছে রাস্তার ড্রেজিংয়ের কাজ। একই সময়ে দুটি গ্রামের উদ্যোগে জমি অধিগ্রহণ থেকে বাদ পড়া মালিকরা মানববন্ধন করেন।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, সরকার তাদের জমি বিনামূল্যে ব্যবহার করছে। এসময় তারা দ্রুত জমি অধিগ্রহণ ও এর মূল্য প্রদানের দাবি জানান।
স্থানীয় বিএনপি নেতা নুর উদ্দিন মিয়া বলেন, ‘আমরা ধনপুর ও চন্ডিপুর গ্রামের নিম্নবিত্ত খেটে খাওয়া মানুষ। মহাসড়ক নির্মাণের কারণে আমরা ভিটেমাটি হারিয়েছি। ফলে আমাদের অনেক দরিদ্র পরিবার অন্যের বাড়িঘরে আশ্রয় নিয়েছে।’
স্থানীয় কৃষক কাজল মিয়া ও ছুনু মিয়া জানান, অপরিকল্পিত ভাবে কালভার্ট স্থাপন করা হচ্ছে। এতে কৃষি জমির পানির নালাগুলো মহাসড়কের মাটি দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে এখানে কালভার্ট স্থাপন না করে অপ্রয়োজনীয় স্থানে স্থাপন করা হচ্ছে। নালা বন্ধ করায় তারা বিলের পানি পাবেন না। আর পানি না পেলে এবছর কীভাবে তারা কৃষি কাজ করবেন দুঃশ্চিন্তায় রয়েছেন। মানববন্ধনে দুই গ্রামের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
এ বিষয়ে সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া বলেন, ‘বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।’
শেয়ার করুনঃ
দৈনন্দিন থেকে আরো পড়ুন
দিরাই মহাসড়ক, জমি অধিগ্রহণ সমস্যা, সুনামগঞ্জ মানববন্ধন, ধনপুর চন্ডিপুর রাস্তা নির্মাণ, জমির ক্ষতিপূরণ


